সময়ের সাথে লড়াই করে অবশেষে একটা সুযোগ পেলেন আলিস আল ইসলাম। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটল আলিসের। এমনকি নিজের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই উইকেট পেলেন। তবে আদতে সেটা আউটই ছিল না। অভিষেকটা তাই স্মরণীয় হয়ে থাকল আলিসের জন্য।
এশিয়ান গেমসে সোনা জয়ের আশায় জল ঢেলেছে বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার সাথে লড়াইটা ব্রোঞ্জ জিতে নেওয়ার। সেমিফাইনালে যে ভুল বাংলাদেশ করেছিল সেটার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয় তাই একাদশে ডাক পড়ল আলিসের।

প্রথম ওভার বল করতে এসে খরচা করলেন মোটে তিন রান। আলিসের রহস্য ভেদ করতে ব্যর্থ হয়েছেন প্রতিপক্ষের ব্যাটাররা। তবে সাফল্য মেলেনি। দ্বিতীয় ওভারে এসেই সেই আক্ষেপ ঘোচালেন। প্রথম বলেই ভয়ংকর টার্ন করিয়ে লেগ ব্রেক ছুড়লেন। ব্যাটার নোয়ান্দু ফার্নান্দো পরাস্ত হলেন। সাথে সাথেই লিটন দাসের জোরালো আবেদনে সাড়া দিয়ে আঙুল তুলে দিলেন আম্পায়ার। তবে রিপ্লেতে দেখা গেল ব্যাটের সাথে বলের দূরত্ব প্রায় আধাহাত।
রিভিউ নেওয়ার সুযোগ নেই ব্যাটারের কাছে। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই শেষ কথা। তবে এমন সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া দুষ্কর যে কারোর জন্যই। যদিও আলিসের লাভ ততক্ষণে হয়ে গেছে। প্রথম আন্তর্জাতিক উইকেট পেয়ে গেলেন আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তের কল্যাণে। শেষমেশ চার ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ১৮ রান খরচা করেছেন, বিনিময়ে ওই একটা উইকেটই নামের পাশে। অভিষেকটা তাঁর মন্দ হলো না।

তবে এসব ছাপিয়ে একটা জিনিসই স্বস্তির। আলিসের অভিষেকটা অন্তত হলো। ঘরোয়া ক্রিকেটে দাপিয়ে বেড়ানো এই মিস্ট্রি স্পিনারের সবচেয়ে বড় বাধা ছিল ইনজুরি। জাতীয় দলে ডাক পেয়েও অভিষেকটা তাঁর হয়নি। বারবার আশাহত হয়েছেন, লড়াই করেছেন। সংশয় ছিল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বোধহয় আলিস আর পা রাখতেই পারবেন না। তবে সব শঙ্কার গল্প ইতি টেনে আলিস পা রাখলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অঙ্গনে, এটাই তো সবচেয়ে বড় স্বস্তি।









