স্বপ্নের অভিষেকে আলিস পেলেন অদ্ভুত উইকেট!

সময়ের সাথে লড়াই করে অবশেষে একটা সুযোগ পেলেন আলিস আল ইসলাম। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটল আলিসের। এমনকি নিজের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই উইকেট পেলেন। তবে আদতে সেটা আউটই ছিল না। অভিষেকটা তাই স্মরণীয় হয়ে থাকল আলিসের জন্য।

সময়ের সাথে লড়াই করে অবশেষে একটা সুযোগ পেলেন আলিস আল ইসলাম। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটল আলিসের। এমনকি নিজের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই উইকেট পেলেন। তবে আদতে সেটা আউটই ছিল না। অভিষেকটা তাই স্মরণীয় হয়ে থাকল আলিসের জন্য।

এশিয়ান গেমসে সোনা জয়ের আশায় জল ঢেলেছে বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার সাথে লড়াইটা ব্রোঞ্জ জিতে নেওয়ার। সেমিফাইনালে যে ভুল বাংলাদেশ করেছিল সেটার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয় তাই একাদশে ডাক পড়ল আলিসের।

প্রথম ওভার বল করতে এসে খরচা করলেন মোটে তিন রান। আলিসের রহস্য ভেদ করতে ব্যর্থ হয়েছেন প্রতিপক্ষের ব্যাটাররা। তবে সাফল্য মেলেনি। দ্বিতীয় ওভারে এসেই সেই আক্ষেপ ঘোচালেন। প্রথম বলেই ভয়ংকর টার্ন করিয়ে লেগ ব্রেক ছুড়লেন। ব্যাটার নোয়ান্দু ফার্নান্দো পরাস্ত হলেন। সাথে সাথেই লিটন দাসের জোরালো আবেদনে সাড়া দিয়ে আঙুল তুলে দিলেন আম্পায়ার। তবে রিপ্লেতে দেখা গেল ব্যাটের সাথে বলের দূরত্ব প্রায় আধাহাত।

 

রিভিউ নেওয়ার সুযোগ নেই ব্যাটারের কাছে। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই শেষ কথা। তবে এমন সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া দুষ্কর যে কারোর জন্যই। যদিও আলিসের লাভ ততক্ষণে হয়ে গেছে। প্রথম আন্তর্জাতিক উইকেট পেয়ে গেলেন আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তের কল্যাণে। শেষমেশ চার ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ১৮ রান খরচা করেছেন, বিনিময়ে ওই একটা উইকেটই নামের পাশে। অভিষেকটা তাঁর মন্দ হলো না।

তবে এসব ছাপিয়ে একটা জিনিসই স্বস্তির। আলিসের অভিষেকটা অন্তত হলো। ঘরোয়া ক্রিকেটে দাপিয়ে বেড়ানো এই মিস্ট্রি স্পিনারের সবচেয়ে বড় বাধা ছিল ইনজুরি। জাতীয় দলে ডাক পেয়েও অভিষেকটা তাঁর হয়নি। বারবার আশাহত হয়েছেন, লড়াই করেছেন। সংশয় ছিল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বোধহয় আলিস আর পা রাখতেই পারবেন না। তবে সব শঙ্কার গল্প ইতি টেনে আলিস পা রাখলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অঙ্গনে, এটাই তো সবচেয়ে বড় স্বস্তি।

 

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link