হতাশা দিয়েই টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

ওয়ানডে সিরিজ জয়ের স্মৃতি এখনও টাটকা। তবে টি-টোয়েন্টি সিরিজের শুরুটা বাংলাদেশের জন্য হলো হতাশার। ১৩১ রানের ছোট লক্ষ্য নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে চাপে ফেলার চেষ্টা করেছিল স্বাগতিকরা, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ১৮.২ ওভারে ৪ উইকেটের জয় তুলে নেয় সফরকারীরা।

ওয়ানডে সিরিজ জয়ের স্মৃতি এখনও টাটকা। তবে টি-টোয়েন্টি সিরিজের শুরুটা বাংলাদেশের জন্য হলো হতাশার। ১৩১ রানের ছোট লক্ষ্য নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে চাপে ফেলার চেষ্টা করেছিল স্বাগতিকরা, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ১৮.২ ওভারে ৪ উইকেটের জয় তুলে নেয় সফরকারীরা।

বাংলাদেশের ব্যাটিং ইনিংসের শুরু থেকেই ছিল ছন্দহীন। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো দলটির কোনো ব্যাটারই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। এমন অবস্থায় শেষদিকে মেহেদী হাসানের ২২ বলে ২৯ রানের কার্যকর ইনিংস বাংলাদেশের সংগ্রহকে ১৩১ রানে পৌঁছে দেয়। অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে সফল ছিলেন এডাম জাম্পা ও অভিষিক্ত জোয়েল ডেভিস, দুজনেই শিকার করেন তিনটি করে উইকেট।

১৩২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতে কিছুটা চাপে পড়লেও দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় অস্ট্রেলিয়া। বিশেষ করে কুপার কনোলির ঝড়ো ব্যাটিং বাংলাদেশের জন্য বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মাত্র ২৭ বলে ৪৭ রানের ইনিংস খেলে তিনি জয়ের ভিত গড়ে দেন। শেষদিকে বাংলাদেশের বোলাররা কয়েকটি উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে উত্তেজনা ফেরানোর চেষ্টা করলেও তা যথেষ্ট ছিল না।

তবে ম্যাচটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে দুই অভিষিক্ত ক্রিকেটারের জন্য। বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবার মাঠে নামেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন। নিজের প্রথম ম্যাচেই ৩.২ ওভারে ৩২ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করে সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছেন এই তরুণ ।

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে অভিষেক হয় ভারতীয় বংশোদ্ভূত নিখিল চৌধুরীর। ব্যাট হাতে ১৩ বলে ১৮ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলে দলের জয়ে অবদান রাখেন তিনি। এই জয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া। আর বাংলাদেশের সামনে এখন সিরিজে সমতা ফেরাতে দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ।

 

লেখক পরিচিতি

আমজাদ হোসেন আবির

সাব এডিটর

Share via
Copy link