বার্সেলোনা যেন পাগলের মতো উদযাপন করল জয়টা। হবারই কথা—২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও শেষ মুহূর্তে সেই ৯১ মিনিটে এসে জয়সূচক গোল। উদযাপন তো এমন বাঁধভাঙা হবেই।
এমন ম্যাচগুলোই তো শেষ পর্যন্ত লিগ শিরোপার ভাগ্য গড়ে দেয়। এই অতিরিক্ত দুই পয়েন্ট বিশাল সম্পদ হয়ে উঠবে।
ম্যাচ সেরা ছিলেন পেদ্রি। তাঁর গোলের সম্ভাবনা ছিল মাত্র ১.৪%! সেই অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন তিনি। অসম্ভবকে সম্ভব করেছে বার্সেলোনা।

আসলে দ্বিতীয়ার্ধেই বার্সা বুঝিয়ে দিলো, তারা ম্যাচ জিততেই নামছে। শেষদিকে একসাথে পাঁচজন আক্রমণভাগের খেলোয়াড় মাঠে নামিয়েছিল।
অন্যদিকে লেভান্তেও মুগ্ধ করল। বার্সার অফসাইড ফাঁদ ভাঙার নতুন কৌশল দেখাল। তারা আক্রমণে পাঠায় দুই স্তর। সামনেরজন অফসাইডে দাঁড়িয়ে থাকে, কিন্তু বল ছোঁয়ার চেষ্টা করে না। পিছনের জন থাকেন আনমার্কড, তিনি সহজেই পৌঁছে যান বলের কাছে।
এভাবে বার্সার ফাঁদ একাধিকবার ভেঙেছে লেভান্তে। হতে পারে, অন্য দলগুলোও এখন এ পথ খুঁজে পাবে। বার্সার দেওয়াল ভাঙার কৌশল দেখিয়ে দিল লেভান্তে।

তবুও, সবকিছুর পরও, বার্সেলোনা লা লিগার প্রথম দুই ম্যাচ শেষে রইল অপরাজিত। লেভান্তের পাগল করা এক রাতে, প্রথমার্ধের ভয়াবহ দুর্দশা পেরিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে আধিপত্য দেখাল হ্যান্সি ফ্লিকের দল।
শেষমেশ এক আত্মঘাতী গোলের সুবাদে ৩-২ ব্যবধানে জিতে নিলো তারা। আরেকটা রোমাঞ্চকর, বেঁচে ফেরা রাত কাটাল কাতালানরা—এবারও পুরো তিন পয়েন্ট নিয়ে।










