শেষ মুহূর্তের গোলে ইকুয়েডরকে হারালো আইভরি কোস্ট

দীর্ঘ ৯০ মিনিট হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে এমাড ডিয়াল্লোর গোলটিই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।

লিংকন ফাইন্যান্সিয়াল ফিল্ডে অনুষ্ঠিত নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইকুয়েডরকে ১-০ ব্যবধানে পরাজিত করেছে আইভরি কোস্ট। দীর্ঘ ৯০ মিনিট হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে এমাড ডিয়াল্লোর গোলটিই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।

ম্যাচের শুরু থেকেই উভয় দলই রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলার ওপর বেশি জোর দিয়েছিল। প্রথমার্ধে ইকুয়েডর বেশ কিছু সুযোগ পেয়েছিল, যার মধ্যে অ্যালান মিন্ডার একটি দুর্দান্ত শট গোলপোস্টের ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।

অন্যদিকে, শুরু থেকেই আইভরি কোস্টের আক্রমণেও নিজেদের শক্তিমত্তা পরিচয় দিয়েছে। কিন্তু ইকুয়েডর গোলরক্ষক ও রক্ষণভাগ দারুণভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

তবে পুরো ম্যাচ জুড়েই ছিল একের পর এক গোল মিসের গল্প। প্রথমার্ধে ইকুয়েডরের অভিজ্ঞ অধিনায়ক এনার ভ্যালেন্সিয়া গোল করার সহজ সুযোগ পেয়েও তা গোলবারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দেন। একইভাবে, আইভরি কোস্টের বাজুমানা তোরেও গোল করার চমৎকার সুযোগ নষ্ট করেছেন।

​ম্যাচটি গোলশূন্য ড্রয়ের দিকে প্রায় চূড়ান্তভাবে এগিয়ে যায়। দুই দলের সমর্থকরাই যেন পয়েন্ট ভাগের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ঠিক তখনই ঘটে ম্যাচ নির্ধারণী ঘটনা।

খেলার ৯০তম মিনিটে সাবস্টিটিউটে নামা ডিয়াল্লো যেন পুরো ম্যাচের চিত্রই বদলে দিলেন। সেন্টার অব দ্য বক্সের ভেতর থেকে নিখুঁত এক বাঁ পায়ের শটে তিনি ইকুয়েডরের জালে বল জড়িয়ে দেন। আর তাতেই ১-০ গোলের নাটকীয় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আইভরি কোস্ট।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link