ইংল্যান্ডের বুকে অধিনায়ক মেন্ডিসের সেঞ্চুরি উদযাপন!

লিডসের মাঠে ব্যাট হাতে নামার আগে কুশল মেন্ডিসের কাঁধে বাড়তি একটা চাপ ছিল, সিরিজের প্রথম চারটা ম্যাচেই একটাও পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস আসেনি শ্রীলঙ্কার কোনো ব্যাটারের কাছ থেকেই, টপ অর্ডার বারবার ব্যর্থ হয়েছে, অধিনায়ক হিসেবে তাই দায়িত্বটা এবার নিজের কাঁধে তুলে নিলেন তিনি নিজেই।

লিডসের মাঠে ব্যাট হাতে নামার আগে কুশল মেন্ডিসের কাঁধে বাড়তি একটা চাপ ছিল, সিরিজের প্রথম চারটা ম্যাচেই একটাও পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস আসেনি শ্রীলঙ্কার কোনো ব্যাটারের কাছ থেকেই, টপ অর্ডার বারবার ব্যর্থ হয়েছে, অধিনায়ক হিসেবে তাই দায়িত্বটা এবার নিজের কাঁধে তুলে নিলেন তিনি নিজেই।

শুরুটা সহজ ছিল না,১৭ রানে থাকতেই একবার জীবন পেয়ে যান স্লিপে, ক্যাচটা ফসকে যায় প্রতিপক্ষের হাত থেকে। সেই জীবনটাকেই কাজে লাগালেন পুরোদমে, রান বাড়তে থাকল ধীরে, কিন্তু স্থিরভাবে। উনআশি রানে গিয়ে আরেকবার নাটক, ৯৯-এ দাঁড়িয়ে কট বিহাইন্ডের আবেদন আসলো জোড়ালোভাবে, আম্পায়ার আউটও দিলেন, তখনই রিভিউ নিলেন নিজে, বল ট্র্যাকিংয়ে দেখা গেল ব্যাটে বলই লাগেনি। সিদ্ধান্ত পাল্টে গেল, আর সেঞ্চুরির পথ খুলে গেল আবার।

পরের বলেই কভারের ফাঁক দিয়ে চার মেরে তিন অঙ্কের ঘরে পা রাখলেন। হেলমেট খুলে দুহাত ছড়িয়ে উদযাপন, যেন কিছুদিনের জমে থাকা চাপ আর আক্ষেপের রেশ একসঙ্গে বেরিয়ে এলো। এই সেঞ্চুরিটা শুধু নিজের জন্য নয়, দলের জন্যও ছিল জরুরি।

সেঞ্চুরির পর থামেননি, আগ্রাসন বেড়েছে আরও, বাউন্ডারি লাইন পেরিয়েছে একের পর এক শট, স্লগ সুইপে ছক্কাও এসেছে। শেষমেশ সেই সুইপ শটই কাল হলো, একটা গুগলি বুঝতে না পেরে আকাশে তুলে দিলেন বল, ডিপ মিডউইকেটে সহজ ক্যাচ। ৯৭ বলে ১২১ রানের ইনিংস থামল সেখানেই, চোদ্দোটা চার আর তিনটে ছক্কায় সাজানো।

শ্রীলঙ্কার হয়ে উইকেটকিপার অধিনায়ক হিসেবে এটাই মাত্র দ্বিতীয় ওয়ানডে সেঞ্চুরি, এর আগে এই কীর্তি ছিল শুধু কুমার সাঙ্গাকারার।

মেন্ডিস ফিরে গেলেও তাঁর গড়া ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই এগিয়ে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা, হাতে উইকেট এখনও বেশ কিছু, রানের চাকাও সচল। সিরিজে যে দলটা এতদিন বড় ইনিংসের অপেক্ষায় ছিল, আজ যেন সেই খরা কাটল একজনের ব্যাটেই।

লেখক পরিচিতি

আমজাদ হোসেন আবির

সাব এডিটর

Share via
Copy link