hello world!!!
Share via:

বল হাই ফুলটস, ব্যাট ঘুরল সোজা তার দিকে—চার্লস ক্যাচ আউট, মাঠ ছাড়ার পথও ধরে ফেললেন। কিন্তু ক্রিকেট মাঝেমধ্যে এমন এক নাটক লিখে রাখে, যার শেষ দৃশ্যটা লেখা থাকে অন্য কোথাও।থার্ড আম্পায়ারের রিভিউতে ধরা পড়ল—বলটা ছিল নো, কোমরের ওপরের উচ্চতায়। জনসন চার্লস আবার ফিরলেন ক্রিজে, আর সেই ফেরাটাই যেন বদলে দিল সেন্ট কিটসের রাতের রঙ।

দক্ষিণ আফ্রিকার মাঠে তখন গোধূলির আভা, ঠিক তখনই ইতিহাসের পাতায় নাম লেখালেন তাওহিদ হৃদয়। কাট শটে বল বাউন্ডারিতে যেতেই ২০৩ রানে পা রাখলেন তিনি, হেলমেট খুলে উদযাপনে ফেটে পড়লেন—আর সেই মুহূর্তেই বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে যুক্ত হলো এক নতুন অধ্যায়। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে দ্বিশতক হাঁকানো প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটার হয়ে গেলেন হৃদয়।

গতি ছিল তাসকিন আহমেদের পরিচয়, তার অস্ত্র, তার ভয়ংকর সিগনেচার। এক সময় নতুন বল হাতে নিয়ে ছুটে আসা তাসকিনকে দেখলেই ব্যাটসম্যানের বুকে কাঁপন ধরত— ১৪০ কিলোমিটার পেরিয়ে মাঝেমধ্যে ১৫০ এর কাছাকাছি ছুঁয়ে ফেলা সেই গতি ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেটের এক বিরল বিলাসিতা। কিন্তু আজ, একত্রিশ বছর বয়সে দাঁড়িয়ে সেই তাসকিনকেই খুঁজে পাওয়া কঠিন। মাঠে যিনি নামছেন, তিনি গতির চেয়ে বেশি নির্ভর করছেন সহ্যশক্তির ওপর।