অস্ট্রেলিয়ার আশার আলো জ্যাক এডওয়ার্ডস!

তবে অন্ধকার টানেলের শেষ মাথায় একটা আলোর রেখা দেখা যাচ্ছে। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যাচে পাঁচ উইকেট তুলে নিলেন। ডেভিড মিলার-টেম্বা বাভুমাদের শতকের ফাঁক গলে এই কীর্তির মাহাত্ম্য বিশাল।

অস্ট্রেলিয়ার সাদা বলের ক্রিকেটে একটা শূন্যতা আছে। এমন একজন ক্রিকেটার নেই, যিনি মিডল ওভারে এসে কয়েক ওভার পেস বল করতে পারবেন, আবার ব্যাটে নেমে ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারবেন। শেন ওয়াটসনের বিদায়ের পর অজিদের এই আক্ষেপ ঘোচাতে পারেনি কেউ। তবে সেই আক্ষেপ ঘোচানোর লোক এসে গেছে। জ্যাক এডওয়ার্ডস, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ফাইফার তুলে যেন একটা আশ্বাসবাণী ছুড়ে দিলেন অজি শিবিরে।

শেন ওয়াটসন যাওয়ার পর অস্ট্রেলিয়া যেকোনো বড় ইভেন্টে যেতে বাধ্য হয়েছে ফিক্সড পাঁচজন বোলার নিয়ে। এক্সট্রা কোনো অপশন তাদের হাতে খুব কমই থেকেছে। তাই তো মরিয়া হয়ে একজন পেস বোলিং অলরাউন্ডার খুঁজেছে দলটা। ক্যামেরন গ্রিন ছিলেন সবচেয়ে সম্ভাব্য আশা। তবে ইনজুরি তাঁকে বোলিং থেকে সরিয়ে রেখেছে। পুরোদস্তুর ব্যাটার হিসেবেই ধরা হয় তাঁকে।

তবে অন্ধকার টানেলের শেষ মাথায় একটা আলোর রেখা দেখা যাচ্ছে। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যাচে পাঁচ উইকেট তুলে নিলেন। ডেভিড মিলার-টেম্বা বাভুমাদের শতকের ফাঁক গলে এই কীর্তির মাহাত্ম্য বিশাল।

অস্ট্রেলিয়ার জন্য যখন একের পর এক বিপদের গল্প লেখা হচ্ছিল, তখন সেই গল্পের মাঝখানে একাই যেন প্রতিরোধের দেয়াল হয়ে দাঁড়ালেন এডওয়ার্ডস। দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটারদের তাণ্ডব, চারপাশে অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণের ওপর চাপ, সবকিছুর মাঝেও এডওয়ার্ডসের হাতে বল যেন হয়ে উঠল শেষ ভরসা।

এখানেই মূলত আশার আলো। বল হাতে ওয়াটসনের অভাবের উপর একটুখানি প্রলেপ এঁটে দিলেন। প্রথম পরীক্ষায় বসে পাস মার্ক। অন্তত বল হাতে আরকি। এখন ব্যাট হাতে যদি ওয়াটসনের কাছাকাছি যেতে পারেন, তবেই ষোলো কলা পূর্ণ হয় অস্ট্রেলিয়ার। ওয়াটসন মহীরুহ হয়ে দাঁড়িয়ে, তাঁর সমতুল্য হওয়া অলীক স্বপ্ন। তবে কাছাকাছি যাওয়া তো যায়। সেই পথ কি পাড়ি দিতে পারবেন এডওয়ার্ডস?

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link