ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওপেনাররা যেভাবে শুরু করেছিলেন, তাতে মনে হচ্ছিল ভারতকে হয়তো আজ বিশাল কোনো টার্গেট নিয়েই নামতে হবে। জন ক্যাম্পবেল আর জাস্টিন গ্রিভস পাত্তাই দেননি কোনো বোলারকে, ১৩৫ রানের ওপেনিং জুটি গড়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করে ফেলেছিলেন ভারতের বোলিং লাইন আপের সঙ্গে। ঠিক তখনই বল হাতে এলেন কুলদ্বীপ যাদব।
এক এক করে ভাঙলেন যত বড় নাম। প্রথমে থামালেন ক্যাম্পবেলকে, ৬২ রানে আউট করে ভাঙলেন সেই জুটি। এরপর অধিনায়ক শাই হোপকে ফেরালেন মাত্র ১২ রানে। তারপর এলো সবচেয়ে বড় শিকার, সেঞ্চুরি করা জাস্টিন গ্রিভস, এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে থামালেন ঠিক ১০১ রানে। পরের বলেই জুয়েল অ্যান্ড্রু কে ,স্লিপে দুর্দান্ত ক্যাচ নিলেন রোহিত শর্মা। এক ওভারেই দুই উইকেট, ডাবল উইকেট মেডেন, আর হ্যাটট্রিকের হাতছানিও ছিল সেই ওভারে।

শেষ পর্যন্ত স্পেল শেষ করলেন ১০ ওভারে ১টি মেডেনসহ ৪০ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে, ম্যাচের সেরা বোলিং ফিগার। ওয়েস্ট ইন্ডিজের রানের গতি থামিয়ে দলকে ২৯৫ রানেই আটকে দেওয়ার কৃতিত্বটা অনেকখানি তারই।
এই স্পেলের পথেই ছাড়িয়ে গেলেন ভেঙ্কটেশ প্রসাদকে, ভারতের হয়ে ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারিদের তালিকায় উঠে এলেন নয় নম্বরে, নিজের ১৯৮তম শিকার নিয়ে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এখন তার সংগ্রহ ২০ ম্যাচে ৩৭ উইকেট, ভারতের হয়ে এই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে যা যৌথভাবে চতুর্থ সর্বোচ্চ
যেদিন ব্যাটসম্যানরা রাজত্ব করছিলেন, সেদিন বোলারদের সম্মানটা একাই বাঁচিয়ে দিলেন কুলদ্বীপ যাদব।












