আসি আসি করে ঘুরিয়েছে কতকাল, সেই আজ দলের মধ্যমণি ‘আইকনিক’ খেলোয়াড়। ‘১০’ নম্বর জার্সিটা এখন তার শরীরে শোভা পাচ্ছে। কিলিয়ান এমবাপ্পে আজ থেকে রিয়াল মাদ্রিদের ‘নাম্বার টেন’।
কত জল্পনা, নানান নাটকীয়তা। পুরো বিশ্ব জেনে গেছে রিয়াল মাদ্রিদের আসছেন এমবাপ্পে। পর মুহূর্তের খবর জানাল প্যারিস সেইন্ট জার্মেই-তে থাকছেন ফরাসি তারকা। এমবাপ্পে সাগা চলল প্রায় তিন-চার মৌসুম ধরে। এরপর সকল নাটকীয়তার অবসান ঘটিয়ে ফরাসি কবি পা রাখলেন সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে।
শুরুটা হল একেবারে গড়পরতা কিংবা তার থেকেও নিম্নমানের। কিন্তু সময় যত গড়াল, নতুন খোলসে পুরনো ঝলক ফিরল। রিয়াল মাদ্রিদের সফেদ জার্সিতে কিলিয়ান এমবাপ্পে গোলের পর গোল করতে থাকলেন। মৌসুম শেষে জিতে নিলেন পিচিচি ও গোল্ডন শ্যু পুরষ্কার। ইউরোপে যে তিনিই ছিলেন সর্বোচ্চ গোলদাতা।

চারিদিকে কথার প্রচলন, এমবাপ্পের এটি বাজে সিজন। এমন মৌসুমেও ৪৪ খানা গোল। মাদ্রিদের বিষন্নতার ঘোর অন্ধকারের মাঝে এক চিলতে আশার আলো। তাইতো ফেরেঙ্ক পুসকাস কিংবা লুইস ফিগোদের লিগ্যাসি লেপ্টে থাকা ‘১০’ নম্বর জার্সিটা তার জন্যেই হল বরাদ্দ।
লুকা মদ্রিচের বিদায়ের পর ‘১০’ নম্বর জার্সি হবে কার? এই প্রশ্নের অবশেষে হয়েছে অবসান। ক্রোয়েট এই মায়েস্ট্রোর ফেলে যাওয়া গৌরব পরম যত্নে আগলে রাখার দায়িত্ব এখন এমবাপ্পের। চাপ বাড়ল, কিন্তু চাপের সাথে কিলিয়ানের তো সেই পুরনো সখ্যতা।
২০১৮ বিশ্বকাপ জয়, ২০২২ এর বিশ্বকাপে প্রায় একাই হারিয়ে দিচ্ছিলেন লিওনেল মেসির আর্জেন্টাইন ইঞ্জিনকে। এখন তার রিয়াল মাদ্রিদের যুবরাজ হওয়ার পালা। কিলিয়ান সফল হবেন অথবা ব্যর্থ, তবে তাতে করে নিশ্চয়ই কমে যাবে না ‘নাম্বার টেন’ জার্সির মাহাত্ম্য।












