নতুন দিনের পাকিস্তানের আরও খানিকটা সময়

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মহাগুরুত্বপূর্ণ সিরিজের আগে সবরকমের প্রস্তুতি সেরে রেখেছে পাকিস্তান। সেখানকার আবহাওয়ার সাথে মানিয়ে নেয়ার পর নিজেদের মধ্যে অনুশীলন করেছে তারা, এরপর প্রাইম মিনিস্টার একাদশের সঙ্গে খেলেছে চারদিনের গা গরমের ম্যাচ; দারুণ পারফরমও করেছেন ক্রিকেটাররা।

কিন্তু প্রস্তুতি ম্যাচ দিয়েই পাকিস্তান দলকে বিচার করতে নারাজ কিংবদন্তি পেসার ওয়াসিম আকরাম। বরং নতুন শুরুর অপেক্ষায় থাকা দলটাকে আরো কিছু সময় দিতে চান তিনি।

স্থানীয় একটি স্পোর্টস প্ল্যাটফর্মে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এই বাঁ-হাতি বলেন, ‘ক্যানবেরা নিয়ে কথা বললে তাড়াতাড়ি হবে। ঠিক আছে অধিনায়ক ডাবল সেঞ্চুরি পেয়েছেন… বাকিরাও রান পেয়েছে, সবমিলিয়ে তাই সবার কিছুটা আত্মবিশ্বাস আছে। (কিন্তু) নতুন ব্যবস্থাপনা, নতুন অধিনায়ক – তাঁদের সময় লাগবে।’

আবার পার্থের বাউন্সি পিচে খেলার আগে পাকিস্তান ঠিকঠাক প্রস্তুত হতে পারেনি, কেননা ওয়ার্ম আপ ম্যাচটি খেলতে হয়েছে স্লো পিচে। এই বিষয় নিয়ে তাই ক্ষুব্ধ হয়েছেন দলটির টিম ডিরেক্টর মোহাম্মদ হাফিজ। অজিদের এমন পরিকল্পনায় একইসাথে বিস্ময় এবং হতাশা প্রকাশ করেছেন তিনি। এই অলরাউন্ডার বলেছিলেন, ‘ক্যানবেরার অনুশীলন ম্যাচের জন্য আমরা যে পিচ পেয়েছি তাতে সত্যিই অবাক এবং হতাশ। এটি ছিল সবচেয়ে ধীরগতির পিচ।’

ওয়াসিম আকরামেরও চোখ এড়ায়নি এই ব্যাপার। তিনি বলেন, ‘পার্থে প্রথম টেস্ট ম্যাচে ব্যাটাররা সমস্যায় পড়তে পারে। আমরা জানি, সেখানকরা পিচ খুব বাউন্সি, যা ক্যানবেরার থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন পিচ। এই দলের জন্য তাই এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হবে।’

ক্যানবেরায় প্রাইম মিনিস্টার একাদশের বিপক্ষে টস করেছিলেন পাকিস্তানের নবনিযুক্ত টেস্ট অধিনায়ক শান মাসুদ। প্রথম ইনিংস ২০১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস এসেছিল তাঁর ব্যাট থেকে; এছাড়া বাকিদের ছোট ছোট অবদানে ৩৯১ রান করেছিল দলটি। এখন দেখার বিষয়, মূল ম্যাচে কেমন পারফরম করে বাবর আজমরা।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link