বিশ্বমঞ্চে রোনালদোর স্বপ্ন পূরণের পাঁচ সেনানী

বিশ্বমঞ্চের এই উত্তপ্ত রণাঙ্গনে রোনালদোর একার লড়াই যথেষ্ট নয়। ইতিহাস গড়তে প্রয়োজন এমন কিছু সেনানী, যাদের পদভারে প্রতিপক্ষের বুকে কাঁপন ধরাতে পারে।

ফুটবল রূপকথার শেষ অধ্যায় লিখতে প্রস্তুত ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বিশ্বমঞ্চের এই উত্তপ্ত রণাঙ্গনে রোনালদোর একার লড়াই যথেষ্ট নয়। ইতিহাস গড়তে প্রয়োজন এমন কিছু সেনানী, যাদের পদভারে প্রতিপক্ষের বুকে কাঁপন ধরাতে পারে। আজ জেনে নেওয়া যাক পর্তুগালের সম্ভাব্য সেই পাঁচ তারকার কথা, যাদের কাঁধে চড়ে রোনালদো প্রথমবারের মতো ছুঁয়ে দেখতে পারেন বিশ্বকাপের কাঙ্ক্ষিত ট্রফি।

  • ব্রুনো ফার্নান্দেস 

পর্তুগালের আক্রমণভাগের প্রধান স্থপতি এখন ব্রুনো ফার্নান্দেস। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই অধিনায়ক প্রিমিয়ার লিগে যেন স্বপ্নের মতো এক মৌসুম কাটিয়েছেন। এসিস্টের রেকর্ডে ছাড়িয়ে গেছেন থিয়েরি অঁরি এবং কেভিন ডি ব্রুইনার মতো কিংবদন্তিদের। রোনালদোর জন্য গোলের সুযোগ তৈরি করে দেওয়াই থাকবে তাঁর মূল দায়িত্ব।

  • ভিতিনিয়া

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই শিরোনামে ভিতিনিয়া। ২৬ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার এবার পুরোপুরি নিজের জাত চেনাতে প্রস্তুত। কাতার বিশ্বকাপে তাকে খুব একটা সুযোগ দেওয়া হয়নি, তবে এবার তিনি পর্তুগালের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।

  • জোয়াও ফেলিক্স

রোনালদোর সঙ্গে আল-নাসরে খেলার সুবাদে ফেলিক্সের খেলায় এসেছে অবিশ্বাস্য পরিপক্কতা। গত মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪৭ ম্যাচে ২৬ গোল ও ১৮ অ্যাসিস্ট করে নিজের ক্যারিয়ারের সেরা সময় পার করছেন এই ২৬ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। রোনালদোর সঙ্গে তাঁর রসায়ন যদি বিশ্বকাপে পর্তুগালের হয়ে কাজ করে, তবে প্রতিপক্ষের রক্ষণের জন্য তা সামলানো কঠিন হয়ে পড়বে।

  • জোয়াও নেভেস

এবারই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যাবে ২১ বছর বয়সী জোয়াও নেভেসকে। পিএসজির মিডফিল্ডের প্রাণভোমরা হয়ে ওঠা এই তরুণ গত মৌসুমে ক্লাব ফুটবলে অসাধারণ পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন। নভেম্বরে আর্মেনিয়ার বিপক্ষে বাছাইপর্বের ম্যাচে তার দুর্দান্ত গোলগুলোর সুবাদেই পর্তুগালের বিশ্বকাপ যাত্রা নিশ্চিত হয়েছিল।

  • নুনো মেন্ডেস

পিএসজিতে খেলা এই ডিফেন্ডারকে বর্তমান সময়ের সেরা লেফট ব্যাক হিসেবে গণ্য করা হয়। মাত্র ২৩ বছর বয়সে তিনি যে পরিণত বোধ দেখিয়েছেন, তা পর্তুগালের জন্য অন্যতম বড় শক্তি। টানা দুইবার পিএসজির হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি জাতীয় দলে ফিরেছেন। তাঁর গতি এবং শারীরিক শক্তি রক্ষণভাগের পাশাপাশি আক্রমণভাগেও প্রতিপক্ষের জন্য বড় আতঙ্ক হয়ে দাঁড়াবে।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

Share via
Copy link