পাকিস্তানের বিপক্ষেই মাঠে নামবেন সাকিব!

জাতীয় দলের জার্সিতে কবে দেখা যাবে সাকিব আল হাসানকে? এই প্রশ্নের উত্তর অবশেষে পাওয়া গেল। সব কিছু যদি ঠিক থাকে, পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজেই দেখা যাবে সাকিবকে। এমনটাই পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

জাতীয় দলের জার্সিতে কবে দেখা যাবে সাকিব আল হাসানকে? এই প্রশ্নের উত্তর অবশেষে পাওয়া গেল। সব কিছু যদি ঠিক থাকে, পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজেই দেখা যাবে সাকিবকে। এমনটাই পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

বাংলাদেশ ক্রিকেটে সাকিব আল হাসান মানেই তো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। মাঠের পারফরম্যান্সের চেয়েও গত দেড় বছরে তাঁর জাতীয় দলে ফেরা-না ফেরা নিয়ে আলোচনাই বেশি হয়েছে। বহুবার ইচ্ছা প্রকাশ করেও দেশে ফিরতে পারেননি তিনি, পারেনি বিসিবিও তাঁকে ফিরিয়ে আনতে। তবে এবার সেই অসাধ্য সাধন হওয়ার অপেক্ষা।

বিসিবির সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজ দিয়েই সাকিব আল হাসানকে আবার জাতীয় দলে ফেরাতে চায় বোর্ড। ফর্ম ও ফিটনেস অনুকূলে থাকলে তাঁর দলে ফেরার পথ খোলা থাকবে বলে আগেই জানিয়েছিল বিসিবি। প্রথম আলোর সূত্র মতে, এবার তারিখটা ঠিক করে ফেলেছে বোর্ড, সময় অনুকূলে থাকলেই বাকি কাজটা হবে।

রাজনীতির মারপ্যাঁচে দেশের ক্রিকেট থেকে এক অর্থে নির্বাসিত হয়েছিলেন সাকিব। ইচ্ছে থাকলেও উপায় ছিল না ফিরে আসার। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর আর্জি জানালেও দেশের মাটিতে পা রাখতে পারেননি।

তবে বর্তমান বোর্ড পরিচালকদের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক আলোচনার পর ২৪ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বোর্ড সভায় প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে সাকিব প্রসঙ্গ ওঠে। সেই সভার পর সাকিবকে ফেরানোর সিদ্ধান্ত সামনে আনে বিসিবি। এবার তার বাস্তব প্রতিফলন ঘটতে যাচ্ছে।

পাকিস্তান দল বাংলাদেশ সফরে আসবে দুই ধাপে। মার্চে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলে দেশে ফিরবে তারা। এরপর পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) শেষ হলে মে মাসে আবার বাংলাদেশে এসে খেলবে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। সেই সফরের আগেই ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে সাকিব  নতুন অধ্যায় শুরু করতে চায় বিসিবি।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link