বাংলাদেশকে লজ্জায় ফেলল শ্রীলঙ্কা!

হাতে থাকা ম্যাচকে কিভাবে পায়ে ঠেলে দিতে হয় তা বাংলাদেশের চেয়ে ভালো পারে কারা? বোলিংয়ে বিপর্যস্ত হওয়া দল ব্যাটিংয়ে ঝাঁপ দিল লজ্জার সাগরে। শ্রীলঙ্কার কাছে ৬৩ রানে হারতে হলো লিটন দাসদের। সোনা জিততে এসে ব্রোঞ্জও কপালে জুটল না। প্রাপ্তি বলতে জাপান ভ্রমণই যা।

হাতে থাকা ম্যাচকে কিভাবে পায়ে ঠেলে দিতে হয় তা বাংলাদেশের চেয়ে ভালো পারে কারা? বোলিংয়ে বিপর্যস্ত হওয়া দল ব্যাটিংয়ে ঝাঁপ দিল লজ্জার সাগরে। শ্রীলঙ্কার কাছে ৬৩ রানে হারতে হলো লিটন দাসদের। সোনা জিততে এসে ব্রোঞ্জও কপালে জুটল না। প্রাপ্তি বলতে জাপান ভ্রমণই যা।

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, দুই দলের জন্য স্বান্তনার প্রাপ্তি হতে পারে ব্রোঞ্জ। সেটার লড়াইয়ে ব্যাট হাতে নামে শ্রীলঙ্কা। তবে বাংলাদেশের স্পিন আক্রমণের সামনে শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়ে তারা। ২১ রানের মাথায় চার উইকেট হারিয়ে বসে লঙ্কান শিবির। আগের ম্যাচেই ভারতের বিপক্ষে ৪৫ রানে অলআউট হয়েছে, তাই তো এবারও সেই শঙ্কা ছিল।

তবে প্রথম ধাপে সাফল্য পেলেও বাংলাদেশি বোলারদের ব্যর্থতা আর থিরান্ডু রত্নায়েকের ৩২ বলে ৬৫ রানের অনবদ্য ইনিংসটাই মূলত ব্যবধান গড়ে দেয়। যে শ্রীলঙ্কার ১০০ পেরোনোর কথা ছিল না, তারা স্কোরবোর্ডে তোলে ১৬৫ রান।

এই উইকেটে এই রান তাড়া করে জিততে বাংলাদেশের ব্যাটারদের সেরাটা দিতে হতো। তবে তারা দিলেন ঠিক উল্টো। পাল্লা দিলেন কে আগে ফিরবেন সাজঘরে। টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারই ফিরেছেন শূন্য রানে। শ্রীলঙ্কার মতোই শুরুতে হোঁচট খায়, ১৮ রানে তিন উইকেট নেই। ৫০-এ সেটা পাঁচে চলে গেল। তবে শ্রীলঙ্কা যেটা পারল, সেটা বাংলাদেশ পারল না। গুটিয়ে গেল মাত্র ১০২ রানে।

বাংলাদেশের হয়ে ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ স্কোর নাসুম আহমেদের ২৬। যেন লিটন-সাইফদের লজ্জা দিলেন। শেষমেশ পরাজয়ের ব্যবধানটা দাঁড়ায় ৬৩ রানের। ব্রোঞ্জ জেতা তো দূরে থাক, লজ্জা এড়ানোই দুষ্কর হয়ে উঠল। জাপানের ভ্রমণ শেষে প্রাপ্তির খাতায় লেখা হলো ডাবল জিরো।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link