বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, এই স্ক্রিপ্ট নিজের হাতেই লিখেছেন কার্লো আনচেলত্তি। ৯০ মিনিটস ইজ টু মাচ ফর ডন কার্লো। তিনি কাম ব্যাক করবেনই, ওটাই তাঁর ইউএসপি। জাপানের বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে তিনি যে ট্যাকটিকাল মাস্টারক্লাস জিতলেন, সেই রশদেই জিতল ব্রাজিল।
এক গোল হজমের পরই আনচেলত্তি বুঝে ফেলেন, এখন জ্বলে ওঠার সময়। মাঠে কয়েকটা পরিবর্তন আনলেন। লুকাস পাকেতার জায়গায় এন্ড্রিক, ম্যথেউস কুনহার জায়গায় গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি।
ব্রাজিল ৫৫ মিনিটেই গোল পরিশোধ করে না দিলে হয়তো নেইমারই আসতেন। কিন্তু, সেটার আর দরকার হয়নি। তার অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হিসেবে একজন কমপ্যাক্ট ফুটবলার দরকার ছিল, যিনি আক্রমণ করতে পারেন, গোল স্কোর করতে পারেন, থ্রু বল দিতে জানেন, অ্যাসিস্ট করতে জানেন।

নেইমারকে নামালে সেটা জনপ্রিয় সিদ্ধান্ত হত, কিন্তু তাতে ফর্মেশন ভাঙতে হত। ওই সময়ে ব্রাজিলের খেলা কোনো ভাবেই মন্থর করার উপায় ছিল না, আক্রমণের ধার কমানোর উপায় ছিল না। তাই নেইমারকে না নামিয়ে মার্টিনেল্লিকে নামানো হয়। এটাই ডন কার্লোর কারিশমা।
তার মত ম্যাচ রিচ করতে পারার ক্ষমতা বিশ্ব ফুটবলে বিরল। জাপানের বিপক্ষে তিনি যা করলেন, সেরকম কাম ব্যাক তিনি ক্লাব ফুটবলে আরও অসংখ্যবার করেছেন, বিশেষ করে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে। মোটামুটি মধ্যম মানের দল নিয়ে দু’বার জিতেছেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগ।
সেই তুলনায় ব্রাজিলে তিনি অনেক কোয়ালিটিফুল ফুটবলার পেয়েছেন। এই ট্যাকটিকাল গ্রেটনেস আর শুধু চারটা ম্যাচ দেখাতে পারলেই, সোনালি স্বপ্নটা সত্যি হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।











