মিরপুরে যখন বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ওয়ানডে থেমে গেল, তখন মাঠের সবচেয়ে বড় আলোচনার নাম তাসকিন আহমেদ। নতুন বলে আগুন ঝরানো এই পেসারের আঘাতে শুরু থেকেই ব্যাকফুটে চলে যায় অস্ট্রেলিয়া।
বৃষ্টি নামার আগে ৪২ ওভারে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ১৮৭/৮। আর এই অবস্থায় পৌঁছে দিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল তাসকিনের।আট ওভার বল করে মাত্র ৩৩ রান খরচায় তুলে নিয়েছেন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। ইকোনমি ছিল মাত্র ৪.১৩।
ইনিংসের একেবারে শুরুতেই আঘাত হানেন বাংলাদেশের পেস–তারকা। নিজের প্রথম ওভারেই বোল্ড করে ফেরান ওপেনার ম্যাথিউ শর্টকে। সেই ধাক্কা সামলাতে না সামলাতেই চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া।

তবে তাসকিনের সবচেয়ে নাটকীয় মুহূর্ত আসে ৪১তম ওভারে। এক ওভারে টানা দুই বলে উইকেট তুলে নিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা তৈরি করেন তিনি। প্রথমে ফেরান জেভিয়ার বার্টলেটকে, এরপর পরের বলেই অ্যাডাম জাম্পার স্টাম্প উড়িয়ে দেন। দুই উইকেটেই দেখা যায় তার নিখুঁত লাইন, গতি ও সীম মুভমেন্ট।
মিরপুরের উইকেট সাধারণত স্পিনারদের জন্য সহায়ক হিসেবে পরিচিত। কিন্তু সেখানে গতি আর নিয়ন্ত্রিত সুইং দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটারদের ভোগাতে থাকেন তাসকিন। নতুন বলের স্পেল থেকে শুরু করে দ্বিতীয় স্পেল দুই ক্ষেত্রেই তিনি ছিলেন বাংলাদেশের আক্রমণের প্রধান অস্ত্র।
প্রথম ওয়ানডেতে ঐতিহাসিক জয়ের পর সিরিজ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ।

বৃষ্টির বিরতির আগে মিরপুরে যে গল্পটা লেখা হলো, তার মূল চরিত্র ছিলেন তাসকিন আহমেদ—যার গতি ও আগ্রাসনে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস বারবার থমকে গেছে।











