বাংলাদেশের এই এশিয়ান গেমসটা একরকম বৃষ্টির সঙ্গেই বোঝাপড়া করেই কাটছে। কোয়ার্টার ফাইনালে সবার সঙ্গে বাংলাদেশের ম্যাচও ভেসে গিয়েছিল, র্যাংকিংয়ের জোরে সেমিফাইনালে ওঠা হলো। কিন্তু শঙ্কা ছিল এই ম্যাচ নিয়েই। বৃষ্টিতে ভেসে গেলে একই নিয়মে র্যাংকিং এ এগিয়ে থেকে ফাইনালে যেত পাকিস্তান, আর বাংলাদেশকে খেলতে হতো তৃতীয় নির্ধারণী ম্যাচ।
সকালে টস হলো না ঠিক সময়ে,আউটফিল্ড ভেজা, অপেক্ষা বাড়ছিল, তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচ বাতিল হলো না, তবে ওভার কমিয়ে আনা হলো ১৩ ওভারে। ওভার কম মানেই রানের চাপ বেশি, আর সেই চাপেই মারতে গিয়ে একের পর এক ব্যাটার ফিরছিলেন। লিটন দাস বোল্ড হলেন দ্বিতীয় ওভারে, তৃতীয় ওভারে ক্যাচ দিলেন ইমন।
তখনই ক্রিজে এলেন সহ-অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়, আর দায়িত্বটা তুলে নিলেন নিজের কাঁধে। সাইফ হাসানকে নিয়ে ইনিংস টানলেন, সাইফ ফিরে গেলে মোসাদ্দেক হোসেনকে নিয়ে সামলালেন। আবরার আহমেদের বলে ছক্কা, ওয়াসিম জুনিয়রকে লং অফের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারলেন, সুফিয়ান মোকিমকে পাঠালেন ডিপ মিডের ওপর দিয়ে। শেষ দিকে আবরারকে আবার সোজা গ্যালারিতে।

ইনটেনশন ছিল একটাই বোলারদের লড়াই করার জন্য কিছু একটা করে দিয়ে যেতে হবে।
২৫ বলে ৪২ রান, চারটি ছক্কা আর দুটি চারে সাজানো ইনিংস। শেষ পর্যন্ত সুফিয়ান মোকিমের বলে ডিপ মিডে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন, কিন্তু ততক্ষণে বাংলাদেশের স্কোর একটা লড়ার জায়গায় পৌঁছে গেছে।
বৃষ্টিভেজা সকালে যখন সবাই আটকে যাচ্ছিল, হৃদয় তখন ব্যাট হাতে বলেন সবাই না পারলেও আমি আছি ভরসা হয়ে।












