ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে টাইগ্রেসদের ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লেখার পরীক্ষা

ভারত বনাম বাংলাদেশ নারী দলের ম্যাচটা হতে যাচ্ছে গ্রুপ পর্বের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। ২৫ জুন ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে যখন দুই দল মুখোমুখি হবে, তখন শুধু পয়েন্ট নয়, বাংলাদেশের সেমিফাইনালের স্বপ্নও নির্ভর করবে এই লড়াইয়ের ওপর।

ভারত বনাম বাংলাদেশ নারী দলের ম্যাচটা হতে যাচ্ছে গ্রুপ পর্বের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। ২৫ জুন ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে যখন দুই দল মুখোমুখি হবে, তখন শুধু পয়েন্ট নয়, বাংলাদেশের সেমিফাইনালের স্বপ্নও নির্ভর করবে এই লড়াইয়ের ওপর।

বাংলাদেশের শেষ দুই ম্যাচে অধিনায়ক নিগার সুলতানা সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তাঁর ইনিংস দলকে জয়ের পথে নিয়ে যায়, আর পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনি ব্যাট হাতে ৩৬ রান করে দলকে স্থিতি দেন। ম্যাচ শেষে তাঁর আত্মবিশ্বাসী মন্তব্যই প্রমাণ করেছে, দল এখন মানসিকভাবে প্রস্তুত।

ব্যাটিংয়ে আলো ছড়াচ্ছেন ওপেনার জুয়াইরিয়া ফেরদৌস, যিনি অভিষেকেই ঝলমলে ইনিংস খেলেছেন। মিডল অর্ডারে স্বর্ণা আকতার পাকিস্তানের বিপক্ষে অপরাজিত ৩৯ রান করে দলের জয় নিশ্চিত করেছেন। স্পিন আক্রমণে নাহিদা আক্তার ও মেঘলা ধারাবাহিকভাবে উইকেট তুলে নিচ্ছেন।


ভারত নারী দল এই বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ফর্মে আছে। ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা আর শেফালি ভার্মার আগ্রাসী ব্যাটিং, সঙ্গে স্পিনার রাধা যাদবের নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের জন্য বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়াবে। ইতিহাসও ভারতের পক্ষে, কারণ সর্বশেষ সিরিজে তারা বাংলাদেশকে ৫-০ ব্যবধানে হারিয়েছে। তবে ২০১৮ সালের এশিয়া কাপে বাংলাদেশ একবার ভারতকে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছিল, যা আজও দলের আত্মবিশ্বাসের উৎস।

গ্রুপের সমীকরণ এখন নাটকীয়। অস্ট্রেলিয়া শীর্ষে, ভারত দ্বিতীয় স্থানে, আর বাংলাদেশ তৃতীয়। এই ম্যাচে জয় মানে সেমিফাইনালের দরজা খুলে যাওয়া, আর হার মানে পথ কঠিন হয়ে যাওয়া। তাই ম্যাচটা কার্যত হয়ে উঠছে বাঁচা-মরার লড়াই।

বাংলাদেশের জন্য প্রতিটি রান, প্রতিটি উইকেট হবে প্রতীকী। অধিনায়কের নেতৃত্ব, ব্যাটারদের দৃঢ়তা আর স্পিনারদের ধারাবাহিকতা যদি একসাথে কাজ করে, তবে ভারতের বিপক্ষে জয় এনে ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে পারে বাংলাদেশ নারী দল।


ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link