লজ্জা এড়াতে মাঠে নামবেন মার্শ?

খাদের কিনারে এসে তড়িঘড়ি করে মার্শকে উড়িয়ে আনা হয় বাংলাদেশে। গুঞ্জন ছিল দ্বিতীয় ম্যাচে খেলবেন, কিন্তু অস্ট্রেলিয়া শেষ পর্যন্ত ঝুঁকি নেয়নি।

হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াতে কি শেষ ম্যাচে মাঠে নামবেন মিচেল মার্শ? মিরপুরে যখন সিরিজ জয়ের উল্লাসে মেতেছে বাংলাদেশ, তখন ক্যাঙ্গারু শিবিরে বইছে চরম হতাশার ঝড়। প্রথম দুই ম্যাচ হেরে ইতিমধ্যেই ওয়ানডে সিরিজ খুইয়েছে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া।

সিরিজের মাঝে দেশ থেকে উড়ে আসা মার্শ কি ধবলধোলাই এড়াতে ২২ গজে নামবেন, সেটাই এখন একমাত্র প্রশ্ন। এই প্রশ্ন সামনে রেখেই তিনি মিরপুরে করেছেন জোর ব্যাটিং অনুশীলন।

ইনজুরির কারণে বাংলাদেশের বিপক্ষে এই সিরিজে খেলারই কথা ছিল না অজি অলরাউন্ডার মিচেল মার্শের। চোটের গ্রাসে পড়ে এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজেও দলের বাইরে ছিলেন তিনি। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াও আগেভাগে জানিয়ে দিয়েছিল, ট্রাভিস হেডের সাথে মার্শকেও বাংলাদেশ সফরে বিশ্রাম দেওয়া হচ্ছে।

কিন্তু প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের কাছে ৮৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরে ওলটপালট হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ার সব হিসাব-নিকাশ। খাদের কিনারে এসে তড়িঘড়ি করে মার্শকে উড়িয়ে আনা হয় বাংলাদেশে। গুঞ্জন ছিল দ্বিতীয় ম্যাচে খেলবেন, কিন্তু অস্ট্রেলিয়া শেষ পর্যন্ত ঝুঁকি নেয়নি।

মার্শকে ছাড়া মাঠে নেমেও অবশ্য ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি সফরকারীদের। দ্বিতীয় ম্যাচেও দেখতে হয়েছে পাঁচ উইকেটের বড় পরাজয়। আর তাতে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ। 

দ্বিতীয় ওয়ানডেতে একাদশে জায়গা না হলেও, ম্যাচের দিন ঠিকই মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে দেখা গেছে মিচেল মার্শকে। চোট কাটিয়ে ২২ গজে ফেরার জন্য নেটে ঘাম ঝরিয়েছেন এই অজি তারকা। নিজেকে পুরোনো ছন্দে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন দীর্ঘ সময় ধরে। 

অস্ট্রেলিয়ার কাছে শেষ ম্যাচ এখন কেবলমাত্র নিজেদের মর্যাদা বাঁচানোর লড়াই। সিরিজ আগেই  হেরে বসে থাকা ক্যাঙ্গারুদের কেবল এখন এড়াতে হবে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা। মিচেল মার্শ মাঠে নেমে পারফর্ম করলে বাংলাদেশের বিপক্ষে চোখে চোখ রেখে লড়তে পারবে অস্ট্রেলিয়া।

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link