রিয়াল বনাম ম্যানসিটি, রোমাঞ্চে ভরপুর প্লে-অফ রাউন্ড

রিয়াল মাদ্রিদ বনাম ম্যানচেস্টার সিটি - চ্যাম্পিয়ন্স লিগের আভিজাত্য আসলে এখানেই। ইউরোপ জুড়ে আধিপত্য দেখানো দুটো পরাশক্তি একে অপরের মুখোমুখি হবে, টুর্নামেন্টের সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে এখানে। এবার প্লে-অফ রাউন্ডেই দেখা যাবে রোমাঞ্চে ঠাসা ম্যাচটা, শেষ ষোলোতে পা রাখবে কোন দল?

রিয়াল মাদ্রিদ বনাম ম্যানচেস্টার সিটি – দ্য ব্যাটল অব দ্য জায়ান্টস! চ্যাম্পিয়ন্স লিগের আভিজাত্য আসলে এখানেই। ইউরোপ জুড়ে আধিপত্য দেখানো দুটো পরাশক্তি একে অপরের মুখোমুখি হবে, টুর্নামেন্টের সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে এখানে। এবার প্লে-অফ রাউন্ডেই দেখা যাবে রোমাঞ্চে ঠাসা ম্যাচটা, শেষ ষোলোতে পা রাখবে কোন দল?

এবারই প্রথমবারের উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অনুষ্ঠিত হবে প্লে-অফ রাউন্ড। গ্রুপ পর্ব শেষে পয়েন্ট তালিকায় নয় থেকে চব্বিশ নম্বর পর্যন্ত অবস্থানে থাকা দলগুলো হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিতে খেলবে নক আউট ম্যাচ। আর সেখান থেকে জয়ী আট দল পৌঁছে যাবে রাউন্ড অব সিক্সটিনে।

আলোচিত এই প্লে-অফ রাউন্ডের ড্র পর্ব সম্পন্ন হলো এবার, টেবিলের অবস্থান অনুযায়ী আগেই বোঝা গিয়েছিল রিয়াল কিংবা বায়ার্নের বিপক্ষে খেলতে হবে ম্যানসিটিকে। আর ড্র-তে উঠে এসেছে রিয়ালের নাম।

নিজেদের সাম্প্রতিক ফর্ম আর লস ব্ল্যাঙ্কোসদের পুরনো পরিসংখ্যান ভেবে এখনই হয়তো পরিকল্পনা সাজাতে বসে গিয়েছেন পেপ গার্দিওলা। অবশ্য লা লিগার টেবিল টপাররাও একেবারে হট ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামবে না, বিশেষ করে লিভারপুল, বার্সেলোনার বিপক্ষে যেভাবে হেরেছে তাঁরা সেটা দুশ্চিন্তার কারণ হবে কার্লো আনচেলত্তির জন্য।

অন্যদিকে, বায়ার্ন মিউনিখ হাফ ছেড়ে বেঁচেছে, তুলনামূলক খর্বশক্তির সেল্টিককে হারাতে পারলেই পরের পর্বে পৌঁছে যাবে তাঁরা। আরেক জায়ান্ট পিএসজি খেলবে স্বদেশী ক্লাব ব্রেস্টের বিপক্ষে; এছাড়া বরুশিয়া ডর্টমুন্ডকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে প্রস্তুত স্পোর্টিং সিপি।

প্লে-অফের বাকি ম্যাচগুলো হলো আটালান্টা বনাম ক্লাব ব্রুগ, জুভেন্টাস বনাম পিএসভি, ফেয়েনুর্দ বনাম এসি মিলান এবং মোনাকো বনাম বেনফিকা। প্রতিটা ম্যাচে লড়াই যে হাড্ডাহাড্ডি হবে সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না, নামের ভারে দুই একটা ক্লাব ফেভারিট হিসেবে হয়তো খেলতে নামবে কিন্তু মাঠে তাঁদের রুখে দেয়ার সামর্থ্য রাখে প্রতিপক্ষ।

১১ এবং ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে প্লে-অফ রাউন্ডের প্রথম পর্ব; ঠিক এক সপ্তাহ পরেই ফিরতি লেগে মুখোমুখি হবে দলগুলো। অপেক্ষা এখন সময়ের, অপেক্ষা এখন চ্যাম্পিয়ন্স লিগের বিখ্যাত থিম সং বেজে উঠার।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link