বিপাকে পড়তে যাচ্ছে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বৈরীতা আর বিদ্বেষের পরিমাণ যে ভাল হয় না- সেটাই যেন ক্ষণে ক্ষণে হচ্ছ প্রমাণিত। মাঝপথে একপ্রকার বাধ্য হয়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) বন্ধ করেছে ভারত। বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই)-কে গুণতে হতে পারে বিপুল আর্থিক লোকসান। অবশ্য সেই লোকসান পুষিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে তাদের সামনে।
সেক্ষেত্রে আবার আর্থিক ক্ষতি হতে পারে এসিসি ও বিসিবি। চলমান ভারত-পাকিস্তান অস্থিরতার শেষ না ঘটলে এশিয়া কাপ হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় শূন্যের কাছাকাছি। যেহেতু ভারত এবারের এশিয়া কাপের আয়োজক। সুতরাং সেই সময়টা কাজে লাগাতে চাইবে আইপিএল গভর্নিং বডি।
আইপিএলের ১৬টি ম্যাচ পড়ে গেছে অনিশ্চয়তার মুখে। বিদেশি খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফরা নিজেদের নিরপত্তার শঙ্কায় ফিরতে চাইছেন নিজ নিজ দেশে। এমন পরিস্থিতিতে আইপিএল বন্ধ করতে হয়েছে। সমসাময়িক সময়ে এর টুর্নামেন্ট মাঠে গড়ানোর সম্ভাবনা ক্ষীন। কেননা নির্ধারিত সময়ের আইপিএল শেষে টিম ইন্ডিয়ার উড়াল দেওয়ার কথা ইংল্যান্ডের উদ্দেশ্যে।

সুতরাং সময় পিছিয়ে অদূর ভবিষ্যতে আইপিএল আয়োজন করার সুযোগ নেই। তাইতো সেপ্টেম্বরে একটা উইন্ডো কাজে লাগাতে পারে আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। কিন্তু সে সময়ে হওয়ার কথা এশিয়া কাপ। তাছাড়া বাংলাদেশ সফরেও আসার কথা ছিল ভারতের।
কিন্তু নিজেদের আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে তো হবে। সে কারণে ওই সময়টা হতে পারে বিসিসিআইয়ের জন্যে আদর্শ। আগস্টে করা যেতে পারত। কিন্তু সেই সময়ে দ্য হান্ড্রেড আয়োজিত হবে। অধিকাংশ খেলোয়াড় সেই টুর্নামেন্টে ব্যস্ত থাকবে। খেলোয়াড়দের প্রাপ্যতা বিবেচনায় সেপ্টেম্বরকেই বেছে নিতে পারে ভারতের ক্রিকেট বোর্ড।
তাতে করে এশিয়া কাপ ভেস্তে যাবে। সেক্ষেত্রে লোকসানের মুখে পড়বে এসিসি। এছাড়া ভারত সিরিজ না আয়োজিত হলে আর্থিক ক্ষতি হবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের। বিসিসিআই চাইলেই এমন কঠিন সব সিদ্ধান্ত নিতে পারে। বরং এদফা বাধ্য হয়েই এমন বিরুপ পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে ভারতের ক্রিকেট বোর্ডকে।












