মাহত্রের এক ওভারের মহাকাব্য

সাজঘরে ফিরে গেলেন। অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন। যেন টি-টোয়েন্টির ব্যাটনের হাত বদল হয়ে গেল। নতুন প্রজন্মের হাতে গেল ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ। 

১৭ বলের ছোট্ট একটা ইনিংস। ৩৪ রান করলেন। ২০০ স্ট্রাইক রেট নিয়ে নিজের প্রথম আইপিএল মিশন শেষ করলেন। তবে, এর মধ্যেই ছয় বলের এক মহাকাব্য লিখলেন আয়ুষ মাহত্রে।

গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভার। সামনে আরশাদ খান। ওভারের শুরুতে একটু চুপচাপ, একটা ডাবল নিলেন। এরপরই যেন আগুন ধরিয়ে দিলেন মাহত্রে। এক ওভারেই নিলেন ২৮ রান। শেষ পাঁচ বল থেকে এল ২৬ রান।

বল হাতে আরশাদ ছটফট করলেন—লেন্থ পাল্টালেন, লাইন পাল্টালেন, কিন্তু ফল বদলালো না। প্রতিবারই একই পরিণতি—বাউন্ডারি কিংবা ছক্কা। শেষ পাঁচ বলে দু’টি চার আর তিনটি ছক্কা, পেসার আরশাদ খানকে দু:স্বপ্নই উপহার দিলেন আয়ুষ।

ইনিংসটা বড় করতে পারতেন। কিন্তু, করেননি কারণ দলের প্রয়োজনটাই বড় ছিল তরুণ আয়ুষের জন্য। ১২ বলে ৩৩ রান করার পর যখন পরের পাঁচ বল থেকে মাত্র একটা রান এল, তখন আর অপেক্ষা করলেন না। অচলায়তন ভাঙতে গিয়েই ক্যাচ তুলে দিলেন।

সাজঘরে ফিরে গেলেন। অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন। যেন টি-টোয়েন্টির ব্যাটনের হাত বদল হয়ে গেল। নতুন প্রজন্মের হাতে গেল ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ।

Share via
Copy link