দিল্লি ক্যাপিটালস জিতল দাপটেই। কিন্তু বৈভব সুরিয়াভানশির প্রতি উগ্র আচরণ করে শেষ পর্যন্ত শাস্তির মুখে পড়েছে কাইল জেমিসন। বিসিসিআই এর কোড অফ কন্ডাক্ট ভেঙে ডিমেরিট পয়েন্ট পেলেন এই কিউই পেসার।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই সুরিয়াভানশিকে সাজঘরের পথ দেখান জেমিসন। কিন্তু উইকেট পাওয়ার আনন্দ উদযাপনে মাত্রা ছাড়িয়ে যান তিনি। সাজঘরে ফিরে যাওয়ার সময় সুরিভানশির একদম গা ঘেঁষে অত্যন্ত আগ্রাসী ভঙ্গিতে এক উদযাপন করেন তিনি।
একজন অভিজ্ঞ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারের কাছ থেকে ১৫ বছরের এক কিশোরের প্রতি এমন আচরণকে ভালোভাবে নেয়নি আইপিএল কর্তৃপক্ষ। ম্যাচ শেষে ম্যাচ রেফারি রাজীব শেঠ জেমিসনকে ডেকে পাঠান। আইপিএলের আচরণবিধির ২.৫ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘনের দায়ে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। শাস্তিস্বরূপ তার নামের পাশে একটি ‘ডিমেরিট পয়েন্ট’ যুক্ত হয়েছে এবং তাকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।

তবে মাঠের মূল নায়ক ছিল দিল্লির ব্যাটিং লাইনআপ। জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নেমে দিল্লির শুরুটা ছিল রাজকীয়। উদ্বোধনী জুটিতে নিসাঙ্কা এবং লোকেশ রাহুল ১০২ রানের এক অবিচ্ছেদ্য জুটি গড়েন। শুরুতে কিছুটা সাবধানী থাকলেও সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাহুল তার চিরচেনা রূপে ধরা দেন।
নিশাঙ্কার বিদায়ের পর নীতিশ রানার সাথে জুটি বেঁধে রাহুল জয়ের পথ আরও প্রশস্ত করেন। তবে খেলার নাটকীয়তা তখনও বাকি ছিল। মাঝপথে হঠাতই কিছুটা ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে দিল্লি, সমর্থকদের মনে তখন পরাজয়ের শঙ্কা।
কিন্তু সেই চাপ জয় করে বীরের মতো বুক চিতিয়ে লড়েন আশুতোষ শর্মা এবং ট্রিস্টান স্টাবস। স্নায়ুচাপ সামলে এই দুজনেই দিল্লির বিজয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন।

টানা তিন পরাজয়ের পর এই ম্যাচ দিয়ে আবারও প্লে অফের লড়াইয়ে ফিরল দিল্লি ক্যাপিটালস। নয় ম্যাচে আট পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিল ছয়ে অবস্থান করছে রাজধানী শহরের এই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।











