ক্লার্কসনের আঘাতে জর্জরিত বাংলাদেশ!

১০২ রানেই অলআউট বাংলাদেশ। যার নেপথ্যে জস ক্লার্কসন। বৃষ্টিস্নাত মিরপুরকে লিটন দাসদের জন্য বিভীষিকা বানিয়েছেন, ভেঙে দিয়েছেন মেরুদণ্ড। বৃষ্টির পর লড়াই করার জন্য যে সামান্যতম সম্ভাবনা ছিল, সেটাকে ভাসিয়ে দিয়েছেন বৃষ্টির জলের সাথে।

১০২ রানেই অলআউট বাংলাদেশ। যার নেপথ্যে জস ক্লার্কসন। বৃষ্টিস্নাত মিরপুরকে লিটন দাসদের জন্য বিভীষিকা বানিয়েছেন, ভেঙে দিয়েছেন মেরুদণ্ড। বৃষ্টির পর লড়াই করার জন্য যে সামান্যতম সম্ভাবনা ছিল, সেটাকে ভাসিয়ে দিয়েছেন বৃষ্টির জলের সাথে।

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচের একটা বলও মাঠে গড়ায়নি। তাই তো প্রথম ম্যাচ জিতে নেওয়া বাংলাদেশের সামনে হিসাবটা খুব সহজ, জিতলেই সিরিজ জয়, হারলে সমতা। আর ম্যাচ যদি পরিত্যক্ত হয়, তবুও আখেরে লাভটা বাংলাদেশেরই।

এমন সব হিসাব সমেত বাংলাদেশ আগে ব্যাট করতে নেমে ছয় ওভার চার বলে তুলল ৫১ রান, অবশ্য হারাতে হয়েছে তিন উইকেট। এরপরই বাধভাঙা বর্ষণ, প্রায় দুই ঘণ্টা পর যখন বল মাঠে গড়াল, উইকেটে দাঁড়িয়ে লিটন এবং তাওহীদ হৃদয়।

১৫ ওভারে ম্যাচ, বাংলাদেশের ভরসা হয়ে দাঁড়িয়ে ওই দুজন। স্কোরবোর্ডে পর্যাপ্ত রান আনতে হলে লিটন-হৃদয়ের ব্যাটকে চওড়া হতে হবে। তবে কিসের কী! মঞ্চে তখন ছড়ি ঘোরালেন ক্লার্কসন। ২৬ রান করা লিটনকে তুলে নিলেন। সব দায়িত্ব পড়ল হৃদয়ের কাঁধে।

২৪ বলে ৩৪ রান করা হৃদয় যখন ভরসার নাম, সেই নাম মুছে দিতে আবারও এলেন ক্লার্কসন। বড় শিকার তুলে স্বস্তি এনে দিলেন নিউজিল্যান্ড শিবিরে। ঠিক পরের বলেই শিকার বানালেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে। উঠে দাঁড়ানোর সময়ই পেল না বাংলাদেশ। শেষমেষ গুঁটিয়ে গেল ১০২ রানে।

দুই ওভার হাত ঘুরিয়েছেন, তাতেই বাংলাদেশের যতটুকু ক্ষতি করা সম্ভব ছিল করেছেন। নয় রানের বিনিময়ে তিন ব্যাটারকে সাজঘরে ফিরিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডারের মেরুদণ্ড ভেঙে-গুঁড়িয়ে দিয়েছেন।

Share via
Copy link