এক ম্যাচ হাতে রেখেই সাউথ আফ্রিকার সিরিজ জয়, সেই সাথে টানা পাঁচ সিরিজ জিতে মাইটি অজিদের মাটিতে নামিয়ে আনল প্রোটিয়ারা। এনগিডির বোলিং তাণ্ডবে বিফলে গেল জশ ইংলিসের চেষ্টা। আফ্রিকা জয় পেল ৮৪ রানের বড় ব্যবধানে।
কুইন্সল্যান্ডের ম্যাকায়েতে টস জিতে ব্যাটিংটা বেছে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে শুরুতেই বিপর্যয় নেমে আসে। রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরতে হয় এইডেন মার্করামকে, রিকেলটনেরও দ্রুত বিদায় ঘটে। ২৩ রানে মাথায় দুই ওপেনার ফিরলে চাপে পড়ে প্রোটিয়ারা।
তবে সব চাপ সামাল দেন আফ্রিকার নয়া ব্যাটিং বিস্ময় ম্যাথু ব্রিজকি, তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দেন টনি ডি জর্জি। দুজনের জুটি থেকে যোগ হয় ৬৭ রান। ৩৮ রান করে জর্জি ফিরে গেলেও একপ্রান্তে অবিচল থাকে ব্রিজকির ব্যাট।

ট্রিস্টান স্টাবসকে সাথে নিয়ে আবারও ইনিংস গড়ার কাজে লেগে পড়েন। এই জুটিও থেকে আসে ৮৯ রান। ম্যাচের দখল নিতে থাকে আফ্রিকা। এদিনও ব্রিজকির ব্যাট থেকে আসে ৮৮ রানের ইনিংস। ক্রিকেট ইতিহাসে তিনিই প্রথম কেউ যে অভিষেকের পর টানা চার ম্যাচের চারটিতেই পঞ্চাশের বেশি রান করেছেন।
স্টাবসের দায়িত্বশীল ৭৪ রানের ইনিংস আর শেষদিকে মুল্ডারের ২৬ আর কেশব মহারাজের ২২ রানে ভর করে আফ্রিকা তোলে ২৭৭ রান।
ব্যাট হাতে অস্ট্রেলিয়া যেন ছন্দ খুঁজে পাচ্ছে না। ট্রাভিস হেডের বাজে ফর্মের চাকা চলছেই। এদিনও ফিরেছেন মাত্র ছয় রান করে। লাবুশেনও ১ রান করে ফিরলে ৭ রানে দুই উইকেট হারিয়ে ফেলে অস্ট্রেলিয়া।

ক্যামেরন গ্রীনকে নিয়ে মিচেল মার্শ হাল ধরার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন, ফেরেন মাত্র ১৮তেই। জশ ইংলিসের ব্যাটে আশা জেগে ওঠে। গ্রীন ৩৫ রানে ফিরলেও একপ্রান্তে লড়াই চালাতে থাকেন তিনি। তবে শেষরক্ষা হয়নি। লুঙ্গি এনগিডির শিকার হয়ে ৮৭ রানে কাটা পড়লে অজিদের সম্ভাবনা মিলিয়ে যায় অন্ধকারে।
এনগিডিকে সামলাতে না পেরে ধসে পড়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং অর্ডার। ৮.৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৪২ রান দিয়ে এনগিডি পাঁচ উইকেট নিজের ঝুলিতে পুরেছেন। অস্ট্রেলিয়া অলআউট হয়েছে ১৯৩ রানেই।
আফ্রিকা যেন রীতিমতো উঠছে, অস্ট্রেলিয়া দেখছে প্রতিপক্ষের একচেটিয়া দাপট। এক দুই নয় টানা পাঁচ ওয়ানডে সিরিজ জিতে প্রোটিয়ারা ছড়ি ঘুরিয়েছে অজিদের উপর, এবার লক্ষ্যটা ঘরের মাঠে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা দেওয়ার।












