পাকিস্তানকে কোন পাত্তাই দিলো না ভারত। সাত উইকেটের বড় জয় তুলে সুরিয়াকুমার যাদবের দল আরও একবার বুঝিয়ে দিল তারা একেবারেই ধরাছোঁয়ার বাইরে। দুই দলের মহারণটা তাই সেয়ানে সেয়ানে হলো না।
মহা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ, অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। শুরুতেই টসে জয়, পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলী আঘা বেছে নিলেন ব্যাটিংটা। ভারতকে বড়সড় রান করে যে চ্যালেঞ্জ জানাতে হবে।
শুরুটা যতটা ভালো হওয়ার দরকার ছিল, হলো তার বিপরীত। রানের খাতা খোলার আগেই হার্দিক পান্ডিয়ার শিকার হয়ে ফিরে যান সায়িম আইয়ুব। এশিয়া কাপের দুই ম্যাচে এখনও পর্যন্ত রানের খাতা খুলতে পারেননি তিনি।

মোহাম্মদ হারিসের স্থায়িত্বকালও স্বল্প সময় হলো। এবারের শিকারির ভূমিকায় জাসপ্রিত বুমরাহ। ছয় রানের মাথায় দুই উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান তখন ধুঁকছে। তখনই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন শাহিবজাদা ফারহান এবং ফখর জামান।
একটা প্রতিআক্রমণ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন দুই ব্যাটার। তবে অক্ষর প্যাটেল তাঁদের জুটিতে ফাটল ধরান, ১৭ রানেই থেমে যান ফখর জামান। এরপর থেকেই তাসের ঘরের মত ভাঙতে থাকে পাকিস্তানের ব্যাটিং অর্ডার।
শেষ দিকে অবশ্য শাহীন শাহ আফ্রিদির ব্যাটে কিছুটা মান বাঁচে পাকিস্তানের। ১৬ বল খেলে তিনি করেন ৩৩ রান। স্কোরবোর্ডে টেনেটুনে রান দাঁড়ায় ১২৭। ভারতের সেরা বোলিং ফিগার আবারও কুলদীপ যাদবের, ১৮ রান দিয়ে নেন তিন উইকেট। অক্ষর প্যাটেল এবং জাসপ্রিত বুমরাহর নামের পাশে জোড়া শিকার।

ভারতের সামনে ১২৮ রানের লক্ষ্যমাত্রাটা একেবারেই কিছু না তার প্রমাণ মিললো শুরতেই। অভিষেক শর্মার দুরন্ত সূচনাটা ম্যাচের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। বন্ধু শুভমান গিল ব্যক্তিগত ১০ রানে থামলেও, অভিষেকের ব্যাট থেকে আসে ১৩ বলে ৩১ রান।
বাকি কাজটা শেষ করেন তিলক ভার্মা এবং সুরিয়াকুমার যাদব। ৩১ রানে তিলক থামলেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন সুরিয়া, ব্যাট থেকে আসে ৪৭ রানের দায়িত্বশীল এক নক। পাকিস্তানের হয়ে বল হাতে বলার মত পারফরম্যান্স করেন সায়িম আইয়ুব। ভারতের হারানো তিন উইকেটের মালিক কেবল তিনিই।
দিনশেষে সাত উইকেটের বড় ব্যবধানে ভারতের জয়টা আসলে বুঝিয়ে দিল পার্থক্যটা কোথায়! ভারতের সামনে পাকিস্তান এখন আর বড় দল নয়।

Share via:









