বাজপাখি শাহিনের প্রত্যাবর্তনে লঙ্কান ভীত নড়বড়ে

দুর্ধর্ষ এক প্রত্যাবর্তন শাহিন শাহ আফ্রিদির। এদিন আবু ধাবির উইকেটে মুভমেন্ট ছিল। আর সেই মুভমেন্টে তাক লাগিয়েছেন লঙ্কান দুই ওপেনারকে। না ফুলার লেন্থে সুইং নয়, লেন্থ খানিকটা খাটো করে গুড লেন্থে থেকে তিনি সুইং আদায় করলেন। আর সেই সুইংয়ের ধূর্ততায় শ্রীলঙ্কা মুখ থুবড়ে পড়ে গোটা শ্রীলঙ্কা।

দুর্ধর্ষ এক প্রত্যাবর্তন শাহিন শাহ আফ্রিদির। এদিন আবু ধাবির উইকেটে মুভমেন্ট ছিল। আর সেই মুভমেন্টে তাক লাগিয়েছেন লঙ্কান দুই ওপেনারকে। না ফুলার লেন্থে সুইং নয়, লেন্থ খানিকটা খাটো করে গুড লেন্থে থেকে তিনি সুইং আদায় করলেন। আর সেই সুইংয়ের ধূর্ততায় শ্রীলঙ্কা মুখ থুবড়ে পড়ে গোটা শ্রীলঙ্কা।

উইকেটে সামান্য মুভমেন্টে ঠিক আগের মতই ভয়ংকর হয়ে উঠতে জানেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। শ্রীলঙ্কার প্রাণ আটকে থাকা টপ অর্ডারে ধ্বস নামালেন তিনি একা হাতে। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই তিনি কুশল মেন্ডিসকে ফিরিয়েছেন প্যাভিলিয়নে। উইকেটে খানিকটা গ্রিপ করা ফুলার লেন্থের বলে ধোঁকা খেয়ে যান কুশল। যার ফলে ফ্লিক করতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন শর্ট মিডউইকেটে থাকা হুসেন তালাতের হাতে।

নিজের ব্যক্তিগত ওভারের শুরুটা অবশ্য ভাল হয়নি শাহিনের। পাথুম নিসাঙ্কা প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকান। কিন্তু পাকিস্তানের বাজপাখি শিকারি হয়ে ফিরলেন দ্বিতীয় বলেই। পাথুম নিসাঙ্কার ব্যাটে বড়সড় আউট সাইড এডজ। বল গিয়ে জমা হয় উইকেট রক্ষকের দস্তানায়। ইনিংসের তিন ওভারের মাঝেই লঙ্কান দুই ওপেনার সাজঘরে।

শ্রীলঙ্কার সাফল্যের সিংহভাগ নির্ভরশীল ছিল তাদের ওপেনারদের উপর। প্রতিদিনই কোন না কোন ওপেনার বড় ইনিংস খেলে পোক্ত ভীত গড়ে দিয়েছিলেন লঙ্কানদের। কিন্তু এশিয়া কাপে টিকে থাকার ম্যাচে দুই ওপেনারকে মাথা তুলে দাঁড়াতেই দেননি শাহিন শাহ আফ্রিদি। তাদেরও তো ছিল এটি বাঁচা মরার লড়াই।

যেহেতু উইকেটে মুভমেন্ট ছিল, তাই অধিনায়ক সালমান আলি আঘা টানা তিন ওভার করিয়ে নেন শাহিনকে দিয়ে। প্রথম দুই ওভারে উইকেট পেলেও, তৃতীয় ওভারে আর উইকেট এনে দিতে পারেননি বা-হাতি এই পেসার। তবে লঙ্কান ব্যাটিংয়ের যতটুকু ক্ষতি করা প্রয়োজন ছিল তার পুরোটাই করে দিয়েছিলেন শাহিন শাহ আফ্রিদি।

এরপর কামিন্দু মেন্ডিস ধরেছিলেন লঙ্কানদের সংগ্রহের হাল। কিন্তু নিজের ব্যক্তিগত শেষ ওভারে সেই কামিন্দুকেও শিকার করে নেন পাকিস্তানের বাজপাখি। লেগ বিফোরের ফাঁদে পঞ্চাশ করেই বিদায় ঘটে কামিন্দুর। তাতে করে স্বল্প সংগ্রহে থেমেছে শ্রীলঙ্কার লড়াই করবার রসদ। দিনশেষে আফ্রিদির ঝুলিতে যুক্ত হয়েছে চার তিন উইকেট, রান বিলিয়েছেন ২৮টি।

তবে শুরুতে শাহিনের সেই বিধ্বংসী বোলিংয়েও পথ হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা। এরপর স্রেফ লড়াই করবার জন্যে রান কুড়িয়েছেন লঙ্কান ব্যাটাররা। নিজের দিনে এখনও প্রতিপক্ষের সমস্ত শক্তি উৎস গুড়িয়ে দিতে পারেন শাহিন। এখন স্রেফ তার ধারাবাহিকতার বড্ড অভাব।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link