সব কাজের কাজী

রিশাদ হোসেন আসলে সবই পারেন। যখন যেটা দরকার, সেখানে তিনি নিজেকে উজার করে দেন।

রিশাদ হোসেন আসলে সবই পারেন। যখন যেটা দরকার, সেখানে তিনি নিজেকে উজার করে দেন। ব্যাট হাতে প্রয়োজনের সময় ঝড় তুলতে পারেন। দলের অন্য যে কারও থেকে তিনি ফিল্ডিংয়ে তুখোড়। দারুণ সব অ্যাক্রোব্যাটিক ক্যাচ তুলে নেন। তবে, সবচেয়ে বড় ইউএসপি তাঁর বোলিং। লেগ স্পিন দিয়ে বিশ্ব মাতানো রিশাদ হোসেন প্রয়োজনের সময় ব্রেক থ্রু দেন, প্রতিপক্ষকে অপ্রস্তুত করে ফেলেন।

তিনি এই সময়ে বাংলাদেশ দলের সব কাজের কাজী। রিশাদকে ছাড়া বাংলাদেশ দলকে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ভাবাই যায় না। রানটা যেখানে ১৮০-রানে যাওয়াটাই  ‍দু:সাধ্য মনে হচ্ছিল – রিশাদ হোসেনের জন্য সেটা চলে গেল ২১৩ রানে। ১৪ বলে ৩৯ রানের ইনিংসটা স্পষ্ট ব্যাটিং পার্থক্য গড়ে দিয়েছিল দু’দলের। তিনটি ছক্কার সবগুলোই যেন প্রতিপক্ষের বুকে একেকটা ছুড়ি হয়ে আঘাত হানে।

রান করেছেন ২৭৮.৫৭ স্ট্রাইক রেটে, যেটা ওয়ানডেতে এক ইনিংসে কমপক্ষে ৩০ রান করা বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ। কে বলবে, এই উইকেটে দুই দলের বাকি সব ব্যাটারই রান তুলতে হিমশিম খেয়েছেন বারবার।

বল হাতে যথারীতি তিনি সরব। আক্রমণে এসে প্রথম ওভারেই উইকেট পেলেন। ১০ ওভারের বোলিং কোটা শেষ করলেন ৪২ রানে তিন উইকেট নিয়ে। বোলিং এখন তাঁর আগের থেকে অনেক বেশি বৈচিত্রময়। এর সাথে ব্যাটিং আর ফিল্ডিং মিলিয়ে তিনি প্রতিপক্ষের জন্য বারবার হয়ে ‍ওঠেন দুর্বোধ্য। এমন একজন ক্রিকেটারকে যে কোনো দলই নিজেদের দলেই চাইবে। বাংলাদেশ দলের সৌভাগ্য, পরম আরাধ্য সেই ক্রিকেটারটি লাল-সবুজ জার্সি গায়ে চাপিয়ে খেলেন।

Share via
Copy link