হেড এখন হেডেক নয় ভারতের জন্য!

সিরিজ শুরুর আগে ভারতের মাথাব্যথার কারণ ছিল এক ট্রাভিস হেড। তবে এবার সেই মাথাব্যথার ওষুধ খুঁজে পেয়েছে ভারত। ট্রাভিস হেড টানা তিন ম্যাচেই ব্যর্থ। কাঁপন ধরানোর আগে নিজেই কুপোকাত।

সিরিজ শুরুর আগে ভারতের মাথাব্যথার কারণ ছিল এক ট্রাভিস হেড। তবে এবার সেই মাথাব্যথার ওষুধ খুঁজে পেয়েছে ভারত। ট্রাভিস হেড টানা তিন ম্যাচেই ব্যর্থ। কাঁপন ধরানোর আগে নিজেই কুপোকাত।

প্রতিপক্ষ ভারত মানেই হেড যেন সাক্ষাৎ যমদূত হয়ে আবির্ভূত হন। হাতের ব্যাটকে বানান ব্রহ্মাস্ত্র। আর তা দিয়েই তাণ্ডব চালান ভারতীয় বোলারদের উপর। তবে এবার আর প্রচলিত কথায় বাস্তব রূপ দিতে পারেননি হেড। ব্যর্থতার শেকল ছেড়ে বের হতে পারেননি এই সিরিজে।

পার্থে প্রথম ওয়ানডেতে করেছিলেন আট রান। দ্বিতীয় ম্যাচে ভালো শুরু পেয়েছিলেন ঠিকই, তবে কাজে লাগাতে পারেননি সেবারও, ২৮ রানেই ফিরেছেন সাজঘরের পথে। শেষ ওয়ানডেতেও একই পথ ধরে হাঁটলেন, করলেন মোটে ২৯।

এই ম্যাচে শুরুরটা স্বভাবসুলভই করেছিলেন হেড। পাওয়ারপ্লে কাজে লাগাচ্ছিলেন বেশ ভালোভাবেই। ছয় চারের সাহায্যে ব্যক্তিগত খাতায় রান তুলেছিলেন ২৯। তখনই মোহাম্মদ সিরাজের হানা। অফ স্টাম্পের বাইরে একটু ব্যাক-অব-লেংথ ডেলিভারি। নিচু হয়ে খেলতে গিয়ে বলের বাউন্স পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি হেড। ফলাফল— ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার হাতে সহজ ক্যাচ!

সিরাজের মুখে আত্মতৃপ্তির এক হাসি, চিরচেনা ভঙ্গিতে উদযাপন করলেন। করবেনই বা না কেন, ব্যর্থতার ষোলকলা পূর্ণ করতে যে বাধ্য করেছেন হেডকে। এ নিয়ে তিন ম্যাচ মিলিয়ে হেড করেছেন মাত্র ৬৫ রান।

সাম্প্রতিক সময়ে যেন নিজের ছায়া হয়ে আছেন হেড। কোনোভাবেই নিজের রুদ্র মূর্তি ধারণ করতে পারছেন না। তবে ভারতের জন্য তা স্বস্তিদায়কই বটে। হেড যে এখন আর হেডেক নয় ভারতের জন্য।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link