চলতি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) এখনও জয়ের মুখ দেখেনি নোয়াখালী এক্সপ্রেস। নিজেদের প্রথম চার ম্যাচেই পরাজয়ের পর দলটির ট্রেইনার নিয়াজ উল ইসলামকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) দুর্নীতিবিরোধী ইউনিট আকু (আকু) তাঁর কর্মকাণ্ড নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।
বিসিবি ও নোয়াখালী এক্সপ্রেস দলের একাধিক সূত্র জানায়, গত শনিবার দলীয় অনুশীলন শেষে টিম হোটেলে নিজের কক্ষেই আকুর তিন সদস্যের একটি দল দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ফেলেন আফগানিস্তানের নাগরিক নিয়াজ উল ইসলামকে। গেল আসরে তিনি ঢাকা ক্যাপিটালসের স্ট্রেন্থ অ্যান্ড কন্ডিশনিং কোচ হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দলের বাজে পারফরম্যান্স এবং এর মধ্যে একটি ম্যাচের কিছু ঘটনা আকুর কাছে ‘ভিন্ন রকম’ মনে হয়েছে। ঘণিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, একটি নির্দিষ্ট ম্যাচ নিয়ে আকুর কিছু কৌতূহল তৈরি হয়েছে। আর সে কারণেই দলের কোচিং স্টাফ হিসেবে নিয়াজের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেছে। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে নিয়াজ উল ইসলামের মোবাইল ফোন দেখতে চাওয়া হয় এবং সেখানে একটি সন্দেহজনক নম্বর পাওয়া যায়।
যদিও নোয়াখালীর প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্বে আছেন খালেদ মাহমুদ, তবুও ট্রেইনার নিয়াজ খানের ভূমিকা নিয়েই মূলত প্রশ্ন উঠেছে। এবারের বিপিএলে শুরু থেকেই ‘রহস্যমানব’ হিসেবে আলোচনায় ছিলেন তিনি। সম্প্রতি নিয়াজ দাবি করেন, সর্বশেষ এশিয়া কাপে আফগানিস্তান জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। তবে বিষয়টি যাচাই করে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি) সেই দাবি সরাসরি অস্বীকার করেছে।

এ বিষয়ে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও মুখ খুলেছেন, তিনি জানিয়েছেন নোয়াখালী এক্সপ্রেসের টিম ম্যানেজমেন্টের একজন সদস্য আকুর নজরদারিতে আছেন। নিয়াজ উল ইসলামকে ঘিরে চলমান এই তদন্তের পরিণতি কী হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়। তবে বিপিএলের শুরুতেই এমন বিতর্ক টুর্নামেন্টের ভাবমূর্তিকে আবারও প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।










