নাসুম লজ্জায় ডোবালেন নোয়খালীকে

লজ্জার রেকর্ড গড়ে নিজেদের দুর্দশার চূড়ান্ত নিদর্শন স্থাপন করে ফেলল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। টানা চার পরাজয়ের মাঝেই সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহের তালিকায় সেরা পাঁচে ঢুকে গেছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস।

লজ্জার রেকর্ড গড়ে নিজেদের দুর্দশার চূড়ান্ত নিদর্শন স্থাপন করে ফেলল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। টানা চার পরাজয়ের মাঝেই সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহের তালিকায় সেরা পাঁচে ঢুকে গেছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা সিলেট টাইটান্সও টানা দুই পরাজয়ের ছিল বিধ্বস্ত। সহজ লক্ষ্য পেয়ে সিলেট অবশ্য তালগোল পাকিয়ে প্রায় ফেলেছিল। কিন্তু শেষ অবধি জয় তুলে নিতে পেরেছে দলটি।

টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন নোয়খালীর অধিনায়ক হায়দার আলী। তার সেই সিদ্ধান্ত মুহূর্তের মধ্যে পরিণত হয় এক দুর্বিষহ বিপর্যয়ে। নাসুম আহমেদ ২৪ রানের মাথায় তুলে নেন সৌম্য সরকারের উইকেট। এরপরই নোয়াখালীর ব্যাটিং অর্ডার তাসের ঘরে রুপান্তরিত হয়।

সেই ঘরের কারিগর ছিলেন নাসুম আহমেদ। স্রেফ সাত রানের বিনিময়ে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে নিজের প্রথম ফাইফার তুলে নেন নাসুম আহমেদ। তার সতীর্থ চারজন বোলার একটি করে উইকেট বাগিয়ে নেন দ্রুততম সময়ের মাঝে। তাতে করে স্রেফ ৬১ রানে অলআউট হয়ে যায় নোয়াখালী। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে চতুর্থ সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ এটি। লজ্জার এই রেকর্ডের ম্যাচে, নোয়াখালীর পরাজয় ছিল অবধারিত।

শেষ অবধি হয়েছেও তাই। একটু পীড়ার সৃষ্টি অবশ্য করতে পেরেছিল নোয়াখালীর বোলিং ইউনিট। মাত্র ৬২ রানের লক্ষ্যেও সিলেটের চারটি উইকেট তুলে নেন জহির খান, বিলাল সামিরা। এরপরও অবশ্য সিলেটকে বেশিক্ষণ আটকে রাখা যায়নি। ছয় উইকেট ও ৬৮ বল বাকি রেখে নিজেদের তৃতীয় জয় তুলে নেয় সিলেট টাইটান্স।

এমন লজ্জাজনক পরাজয়ের পর, টেবিলের সবার নিচে নিজেদের অবস্থান আরও দৃঢ় করল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। অন্যদিকে পাঁচ ম্যাচের তিনটি জিতে, টেবিলের তিন নম্বরে আপাতত অবস্থান সিলেট টাইটান্সের।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link