বুলবুলের জন্য কোথাও কেউ নেই!

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ভিতর চলছে টালমাটাল অবস্থা। কোথায় যেন একটা দূরত্বের অদৃশ্য দেয়াল দাঁড়িয়ে আছে। যা পরিস্থিতিকে করে তুলছে আরও ঘোলাটে, জন্ম নিচ্ছে গভীর অস্থিরতা। আর এই অস্থিরতার কেন্দ্রীয় চরিত্র সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ভিতর চলছে টালমাটাল অবস্থা। কোথায় যেন একটা দূরত্বের অদৃশ্য দেয়াল দাঁড়িয়ে আছে। যা পরিস্থিতিকে করে তুলছে আরও ঘোলাটে, জন্ম নিচ্ছে গভীর অস্থিরতা। আর এই অস্থিরতার কেন্দ্রীয় চরিত্র সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

খেলোয়াড় হিসেবে বুলবুল ছিলেন সম্মানিত এক নাম। বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টের সেঞ্চুরিয়ান, এক প্রজন্মের অনুপ্রেরণা। কিন্তু প্রশাসকের চেয়ারে বসার পর তার দ্বিতীয় মেয়াদ শুরু হতেই একের পর এক বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না। চার মাসও পূর্ণ হয়নি দায়িত্ব নেওয়ার, এর মধ্যেই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডার গ্রুপ থেকে এসেছে বয়কটের ডাক। যা দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে বিরল ঘটনা।

প্রথম ধাক্কা আসে ঢাকার ক্লাবগুলোর পক্ষ থেকে। বুলবুলের নেতৃত্বাধীন কমিটিকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে ৪৪টি ক্লাব লিগ বয়কটের ঘোষণা দেয়। এর সুরাহা করতে ব্যর্থ হয়েছেন বুলবুল। দূরত্ব বাড়ে ক্রিকেটারদের সাথেও। পরিচালক নাজমুল ইসলামের বেফাঁস মন্তব্যের জেরে ক্রিকেটাররা বিপিএল বয়কটের ডাক দেয়। অপসারণের দাবি জানায়। সাময়িকভাবে সেই দাবি মেনে নিলেও পরবর্তীতে আবারও তাঁকে বহাল করা হয়, তাতেই দূরত্ব বেড়ে যায় আরও। এমনকি ঘটনাপ্রবাহে বাদ যাননি সাংবাদিকরাও।

ব্যর্থতার খসড়া আরও প্রকট আকার ধারণ করে বাংলাদেশ বিশ্বকাপে না যাওয়ায়। তাঁর আমলেই এমন ঘটনা দেশের ক্রিকেটের বড় রকমের ক্ষতিই করেছে। এতসব অপারগতা, কথা দিয়ে কথা না রাখা, শত শত অভিযোগ, এসবের ভিড়ে অনেকটা চাপা পড়ে গেছেন বুলবুল।

সভাপতির চেয়ার বনে যাচ্ছে বুলবুলের জীবন্ত কবর। এখন যদি পৃষ্ঠপোষকেরা সবাই মুখ ফিরিয়ে নেয় তবে এ যাত্রাটা শেষ হয়ে যেতে পারে এখানেই। এক অপারগতারের বোঝা নিয়ে বিদায় জানাতে হতে পারে ওই চেয়ারটাকে।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link