ইডেন গার্ডেন্সের বুক চিরে এক ঝড় উঠেছিল, অভিষেক শর্মার রুদ্ররূপ কলকাতা নাইট রাইডার্স বোলারদের মনে ভয়ের মাতম তুলছিল। তবে পূর্ণতা আসার আগেই সব শেষ হয়ে গেল। বিতর্কিত এক সিদ্ধান্তে ৪৮ এই থেমে গেল অভিষেক তান্ডব।
আক্ষেপ ছিল, শুরুর দিনটা ছিল বিবর্ণতায় ঢাকা। অভিষেক শর্মা সব কিছু জমিয়ে রেখেছিলেন, সুযোগ পেলে আক্ষেপে মোড়া ক্ষোভটার বিস্ফোরণ ঘটাবেন। ভাগ্যদোষে সেটার রোষানলে পড়তে হলো কলকাতাকে। ব্যাটটাকে তরবারি বানিয়ে আবার শাসকের আসনে আসীন হলেন অভিষেক।
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের(আইপিএল) এবারের আসরের প্রথম ম্যাচটায় হারের তীব্র যাতনা সইতে হয়েছিল সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদকে। হারের পেছনের বড় কারণ জুড়ে ছিল অভিষেকের ব্যর্থতা। এই দলটার জয়-পরাজয় অনেকটাই তো তাঁর উপরই নির্ভরশীল।

অভিষেক সাত রানেই ফিরেছিলেন ড্রেসিংরুমের পথে। ভেতরের আগুনটা জমিয়ে রেখেছিলেন কলকাতার জন্য। ইডেন গার্ডেন্সের বুক চিরে এক মহাপ্রলয় ঘটানোর জন্য। তবে সেটা থেমে গেল আম্পায়ারের এক সিদ্ধান্তে।
৪৮ রানে ব্যাট করছিলেন। ডিপ স্কোয়ার লেগে বরুণ চক্তবর্তীর জন্য একটা সুযোগ করে দেন। দুর্দান্ত দক্ষতায় বরুণ ক্যাচটাকে তালুবন্দি করেন তবে ধোঁয়াশা ছিল, বল সরাসরি তার হাতে পড়েছিল তো?
থার্ড আম্পায়ার নিতিন মেনন সেটাকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখলেন। ক্যামেরার বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল কাজে লাগিয়ে যাচাই করলেন বলটা মাটি ছুঁয়েছে কিনা। তবে কিছুটা ধোঁয়াশা রেখেই নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন তিনি, স্কিনে ভেসে ওঠে ‘আউট’ সিগন্যাল।

মন না চাইলেও মাঠ ছাড়তে হয় অভিষেককে। কলকাতাও যেন হাফ ছেড়ে বাঁচে। যে ঝড় অভিষেক শুরু করেছিলেন, সেটা এমনিতেই বড় ক্ষতি করে ফেলেছিল, আর কিছুক্ষণ ক্রিজে থাকলে কলকাতা ধুলোয় মিশে যেত বইকি।











