সুলিভানদের বিজয় উৎসবে শুভদিনের সুর

বাংলাদেশের ফুটবলে বাজতে শুরু করেছে নবজাগরণের সুর।সেই ধারাবাহিকতা দেখা গেল সদ্য সমাপ্ত অনুর্ধ্ব-২০ সাফ চ্যম্পিয়নশীপে। শক্তিশালী ভারতকে নিজেদের শক্তিমত্তা দেখিয়ে শিরোপা ছিনিয়ে এনেছে বাংলাদেশের যুবারা। এবার সময়টা ছাদখোলা বাসে উদযাপনের।

বাংলাদেশের ফুটবলে বাজতে শুরু করেছে নবজাগরণের সুর।সেই ধারাবাহিকতা দেখা গেল সদ্য সমাপ্ত অনুর্ধ্ব-২০ সাফ চ্যম্পিয়নশীপে। শক্তিশালী ভারতকে নিজেদের শক্তিমত্তা দেখিয়ে শিরোপা ছিনিয়ে এনেছে বাংলাদেশের যুবারা। এবার সময়টা ছাদখোলা বাসে উদযাপনের।

বিদেশে জন্ম, বিদেশে বড় হয়ে ওঠা বহু খেলোয়াড় এখন দেশে আসছেন লাল-সবুজের জার্সি গায়ে জড়াতে। মূল দলে হামজা চৌধুরী, সামিত সোমরা যেমন এসেছেন। সেখানে পিছিয়ে থাকেনি ছোটদের দলও। সুদূর যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়ে এসেছেন সুলিভান ব্রাদার্স।

শুধু প্রতিভাবানদের নাম নিয়েই যে দল সাজিয়েছে বাংলাদেশ, বিষয়টা এমন না। দলে ছিল একতা, আর চোখে ছিল জয়ের স্বপ্ন। ফলাফল সাহসীদের পক্ষেই যায়, বাংলার যুবারা সাহসের বারুদ বুকে নিয়ে খেলেছে, ফলাফলও যে এসেছে হাতের মুঠোয়। এক ম্যাচও না হেরে চ্যম্পিয়নের শিরোপা ঘরে এনেছে তারা।

 

পাকিস্তান, নেপাল আর ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে হয়েছে গ্রুপ স্টেজ আর নক-আউট রাউন্ড মিলিয়ে। একটা সময়ের জন্য মনে হয়নি বাংলাদেশের কমতি আছে।  শক্তি দেখিয়েছে, প্রতিপক্ষের দুর্বল জায়গায় আক্রমণ চালিয়েছে। লড়াই করেছে চোখে চোখ রেখে।

এসবের ভেতর দিয়ে জিতে নিয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার এই সম্মানজনক শিরোপাটি। ২০২৪ সালের আসরের পর প্রতিযোগিতার ইতিহাসে বাংলাদেশের এটি দ্বিতীয় শিরোপা।

মালদ্বীপে হওয়া প্রতিযোগিতায় তরুণ ছেলেরা গিয়েছিল একবুক আশা নিয়ে। মন জুড়ানো ফুটবল যেমন খেলেছে তেমনি একইসাথে ঘরে ফিরেছে শিরোপা নিয়ে। যেখানে অপেক্ষারত ছিল ছাদখোলা বাস, ঢাকার বাতাস। রোনান সুলিভানরা নিজেদের অস্তিত্বের জানান দিয়ে এসেছেন, ঘরে এসেছে শিরোপা। পুরো বাংলাদেশ তাই স্লোগান তুলেছে,  আনন্দ উৎসবের এখনই তো শ্রেষ্ঠ সময়।

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

Share via
Copy link