কুশল-ফারহান জুটির সামনে কুপোকাত করাচি!

কুশল মেন্ডিস পরিণত হয়েছেন পেশোয়ার জালমির রান মেশিনে। প্রতিদিন নামবেন রান করবেন, এটাই এখন পাকিস্তান সুপার লিগের নিত্যদিনের ঘটনা। এরপর তাঁকে সঙ্গ দিলেন তরুণ তুর্কি ফারহান ইউসাফ। আর এই যুগলবন্দীর সামনেই কুপোকাত হলো করাচি কিংস।

কুশল মেন্ডিস পরিণত হয়েছেন পেশোয়ার জালমির রান মেশিনে। প্রতিদিন নামবেন রান করবেন, এটাই এখন পাকিস্তান সুপার লিগের নিত্যদিনের ঘটনা। এরপর তাঁকে সঙ্গ দিলেন তরুণ তুর্কি ফারহান ইউসাফ। আর এই যুগলবন্দীর সামনেই কুপোকাত হলো করাচি কিংস।

করাচির দেওয়া লক্ষ্যটা ছিল ১৮৩ রানের। লাহোরের উইকেটে খুব বেশি নয়, তবে হঠাৎ বিপদ এসে পড়ে ঘাড়ে। দারুণ শুরুর আভাস দিয়েছিলেন বাবর আজম, ব্যক্তিগত ২৫ রান করে ফিরতে হয় তাঁকে। আরেক ওপেনার জেমস ভিন্সও ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান। অ্যারন হার্ডিও থিতু হতে পারেননি। ৬৭ রানে তিন উইকেট হারিয়ে তখন বেশ বিপাকেই পেশোয়ার।

তবে ভরসা দিলেন কুশল। যে ফর্মে তিনি রয়েছেন তাতে এই ম্যাচ বের করা তাঁর কাছে ডালভাতের মতোই। একজন ব্যাটারের পক্ষে যতটা ধারাবাহিক হওয়া সম্ভব মেন্ডিস ঠিক ততটাই হয়েছেন। বোলারদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে, মাথায় কেবল ঘুরপাক খাচ্ছে, কিভাবে মেন্ডিসকে ফেরানো যায়? তবে মেন্ডিস এখন পরিণত হয়েছে দুর্ভেদ্য দেয়ালে। যা ভাঙা সহজ না।

দলের আসন্ন বিপদ বুঝতে পেরে  হাজির হলেন ফারহান, সঙ্গী হলেন কুশলের। বাকিটা এক অনবদ্য চেজের গল্প, যেখানে নায়কের চরিত্রে দুজন। ১১৯ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি এসেছে তাদের ব্যাট থেকে। তাতেই যে আশঙ্কা ছিল তা উবে গেছে।

কুশলের ব্যাট থেকে এসেছে ৪৩ বলে হার না মানা ৮০ রানের ইনিংস, ফারহানও তুলে নিয়েছেন ফিফটি। মাঠ ছেড়েছেন অপরাজিত থেকেই। আর পেশোয়ার জয় পেয়েছে সাত বল আর সাত উইকেট হাতে রেখেই।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link