বিপদ যখন আসে তখন সবদিক থেকে যেন একসাথেই আসে। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের কাছে বর্তমানে এর চেয়ে সত্য কথা আর কিছু নেই। তাঁরা যত চেষ্টাই করুক না কেন, ফলাফল আসার নামগন্ধ দেখা যাচ্ছে না। এখন খাদের এমন কিনারায় এসেছে যে একবার পা ফসকালে মৃত্যু হবে সকল আশার।
শেষ ম্যাচে ঘরের মাঠে আগে ব্যাট করতে নেমে ২৪৩ রানের সংগ্রহ। এই ম্যাচ যেখানে জিতে যাওয়ার কথা বড় ব্যবধানে, সেখানে হারতে হয়েছে আট বল বাকি থাকতেই। সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের ব্যাটারদের সামনে অসহায় হয়ে যেতে হয়েছে জাসপ্রিত বুমরাহদের।
আইপিএলের অর্ধেক আসর প্রায় শেষ। এখন থেকেই প্লে-অফের হিসাব-নিকাশের জন্য খাতা-কলম নিয়ে বসে যেতে হচ্ছে দলগুলোকে। পয়েন্ট টেবিলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের যা অবস্থান তাতে তাদেরকে গণিতের জটিল মারপ্যাঁচের কথা ভাবতে হচ্ছে আরও বেশি।

আট ম্যাচে মাত্র দুই জয়ে চার পয়েন্ট নিয়ে মুম্বাইয়ের অবস্থান নয় নাম্বারে। -০.৭৮৪ নেট রানরেট জন্ম দেয় নানা আশংকার। সামনে তিনটি করে হোম আর অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলার সুযোগ পেতে যাওয়া মুম্বাইয়ের প্লে-অফের সম্ভাবনা এখনো হারিয়ে যায়নি।
আইপিএলের ইতিহাস দেখলে ১৪ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট তোলাটাই শেষ চারে জায়গা পাওয়ার জন্য নিরাপদ। তবে, ১৪ পয়েন্ট তুলেও প্লে-অফের রেসে থাকা যায়। বাকি থাকা সব ম্যাচ জিতলে হার্দিক পান্ডিয়ার দলের জন্য কোয়ালিফাই করা সম্ভব দ্বিতীয়বার চিন্তা না করেই।
ছয় ম্যাচে পাঁচটা জিতলেও মুম্বাই লড়াইয়ে ঠিকে থাকতে পারবে। সেইক্ষেত্রে, রোহিত শর্মাদেরকে ম্যাচ জিততে হবে বড় ব্যবধানে। যাতে নেট রানরেটের হিসাবে পিছিয়ে থাকতে না হয় পাঞ্জাব কিংস, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর মতো দলগুলোর চেয়ে।

পাঁচবারের আইপিএল জেতা মুম্বাই নানা কারণে খারাপ সময়ের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। পয়েন্ট টেবিলে তলানির দিকে থাকলেও সম্ভাবনা রয়ে গেছে কাগজে-কলমে। বড় ব্যবধানে বাকি ম্যাচগুলো জেতে তাঁরা কী পারবে নিজেদের হারানো রাজত্বে প্রত্যাবর্তন করতে, তা সময়ই কেবল বলে দিতে পারে।










