৩৩ রানে চার উইকেট নেই—স্কোরবোর্ডে তখন ভাঙনের শব্দ। চারদিকে নেমে এসেছে চাপের নীরবতা, নিউজিল্যান্ডের ড্রেসিংরুমে শঙ্কার ছায়া। ১০৩ রানের ছোট লক্ষ্য, কিন্তু বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ যেন সেটাকেই বানিয়ে ফেলেছে এক দুঃস্বপ্নের পাহাড়। তবে এরপরের গল্পটা লিখলেন বেভান জ্যাকবস।
নতুন বল হাতে শরিফুল ইসলাম আর স্পিনে শেখ মেহেদীর ঘূর্ণি—প্রতিটি ডেলিভারিতে ব্যাটারদের শ্বাস আটকে আসছে। মনে হচ্ছিল, এই ম্যাচ বুঝি হাতের মুঠোয় চলে আসছে বাংলাদেশের।

এরপরই ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন জ্যাকবস। একটাই লক্ষ্য— পরাজয়ের হাতছানি থেকে বাঁচাতে হবে দলকে। কাঁধে পড়া চাপটা চাপিয়ে দেন প্রতিপক্ষের দিকে। তিনি জানতেন লক্ষ্যটা খুব বেশি নয়, গন্তব্যের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা দূরত্বটা মাত্র ৭০ রানের। একাই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন ম্যাচ শেষ করবেন তিনি।
ব্যাটারদের যমরাজ হয়ে আসা শরিফুলকে টার্গেট করলেন। পরপর দুটো চার হাঁকিয়ে ম্যাচের গতিপথ নির্ধারণ করলেন ষষ্ঠ ওভারে। প্রতিপক্ষের সেরা বোলারের কাছ থেকে ওই ওভারে নিউজিল্যান্ড তুলল ১৫ রান। ব্যাস, ওখানেই মোমেন্টাম পেয়ে যায় কিউইরা।

শেষমেশ ৩১ বল ৬২ রানের ঝড়ো ইনিংস নামের পাশে। এরপর আর ১০৩ রানের লক্ষ্য আর লক্ষ্য থাকে না, তা হয়ে যায় সময়ের অপেক্ষা। আর সেই অপেক্ষার শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে বেভান জ্যাকবস দলকে পৌঁছে দিলেন জয়ের বন্দরে।











