বৃথা গেল সব চেষ্টা। শুভমান গিলের বিশ্বাস কিংবা জস বাটলারের প্রচেষ্টা সবই ফিকে হয়ে গেল কলকাতা নাইট রাইডার্সের জ্বলে ওঠার দিনে। তাই তো গিলের ৮৫ রানের ইনিংসটা কেবল ব্যবধান কমিয়েছে, পরাজিত নায়ক হয়েই থাকতে হয়েছে শেষটাতে।
এদিন ফিন অ্যালেনের ৯৩ রানের ঝড় কলকাতাকে বড় সংগ্রহের পথে ঠেলে দেয়। আর শেষটাতে আঙ্কৃশ রঘুবনশির ৮২ রান আর ক্যামেরুন গ্রিনের ফিফটির সুবাদে কলকাতার সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৪৭ রান।
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে যেসব অসাধ্য সাধন হয়েছে তাতে এই রান চেজ করে জেতা অসম্ভব নয় মোটেও। তবে তার জন্য চায় উড়ন্ত সূচনা। যেটা এনে দেন শুভমান গিল। এক অসম্ভবকে তাড়া করার মিশনে নামেন তিনি।

পাহাড়সম রানের চাপ আর দলকে টেনে নেওয়ার গুরুদায়িত্ব কাঁধে ছুটতে থাকেন অপ্রতিরোধ্য গতিতে। সাবলীল সব শটে বুঝিয়ে দেন চাপটা তাঁর গায়ে লাগে না। জস বাটলারকে সাথে নিয়ে গড়েন ১২৮ রানের অনবদ্য জুটি।
একটা সময় মনে হচ্ছিল জয়ের দেখা মিলতে পারে সহজেই। তবে ২৪৮ রান ডিঙিয়ে যাওয়া তো আর চাট্টিখানি কথা নয়। হোক না আইপিএল, কিংবা আধুনিক টি-টোয়েন্টি জামানা—এই রান ছোঁয়া কষ্টসাধ্যই বটে। আর সেটা অসম্ভব হয়ে যায় গিলের বিদায়ের পর।
৪৯ বলে ৮৫ রানের ইনিংস আসে তাঁর ব্যাট থেকে। সেঞ্চুরির জন্য খেললে হয়তো পেয়েও যেতেন। তবে মাথায় কেবল কাজ করেছে দলের জন্য করতে হবে। তাই তো আক্ষেপ নিয়েই ফিরতে হয়েছে। অন্যপাশে বাটলার শেষ চেষ্টা চালান, তবে বেলা ততক্ষণে বয়ে গেছে। শেষমেষ ২৯ রানের পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় গিলের গুজরাটকে। আর কলকাতার প্লে-অফের স্বপ্নটা বেঁচে রইল এখনও।

Share via:










