শেষ হয়নি কলকাতার দৌড়!

শেষ সাত ম্যাচের ছয়টিতেই জয়। কলকাতা নাইট রাইডার্সের অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন। আশার প্রদীপটা মিটি মিটি জ্বলে ছিল কলকাতার জন্য। সেটা ধরেই প্লে-অফের পথে একটু একটু করে এগোচ্ছে তারা।

শেষ সাত ম্যাচের ছয়টিতেই জয়। কলকাতা নাইট রাইডার্সের অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন। আশার প্রদীপটা মিটি মিটি জ্বলে ছিল কলকাতার জন্য। সেটা ধরেই প্লে-অফের পথে একটু একটু করে এগোচ্ছে তারা। চার উইকেটের ব্যবধানে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে হারিয়ে জানিয়ে রাখল, খেলা এখনও শেষ হয়নি।

ইডেনের রাতটা যে কলকাতার জন্যই লেখা হয়েছিল, তা বোঝা যায় শুরুতেই। মুম্বাইয়ের ব্যাটাররা একের পর এক আত্মাহুতি দিয়ে ফেরেন। ৪১ রানে চার উইকেট হারিয়ে ফেলার পর কলকাতার জয়ের পথ ওখানেই সহজ হয়ে যায়।

মাঝের বেশ কিছু সময় কেড়ে নেয় বৃষ্টি। শেষদিকে অবশ্য মুম্বাইয়ের ত্রাতা হয়ে আসেন কোবিন বশ। ১৮ বলে ৩২ রানের ইনিংস খেলে মুম্বাইকে এনে দেন লড়াইয়ের পুঁজি। মুম্বাই টেনেটুনে স্কোরবোর্ডে তোলে ১৪৭ রান।

মুম্বাইয়ের হারানোর কিছুই নেই। প্লে-অফের রেস থেকে ছিটকে গেছে অনেক আগেই। তাই তো হারলেও তেমন কিছুই যায় আসে না। তবে কলকাতার ক্ষেত্রে হিসাবটা ব্যতিক্রম। যদি-কিন্তুর হিসেবে পেন্ডুলামের মতো ঝুলছে প্লে-অফ ভাগ্য। জয়ের বিকল্প যে নেই।

১৪৮ রান তাই খুব আহামরি কিছু না তাদের জন্য। তবে শুরুর দিকেই উড়ন্ত ফর্মে থাকা ফিন অ্যালেনের বিদায় কিছুটা দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দেয়। তাতে অবশ্য খুব বেশি ক্ষতি হয়নি কলকাতার। অভিজ্ঞতার ঝুলি কাঁধে এগিয়ে আসেন মনিশ পান্ডে। এবারের আসরের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেই বুঝিয়ে দেন, সময় বদলে গেলেও তিনি বদলাননি। আজও বিপদ দেখলে ব্যাটখানা ঢাল হয়ে দাঁড়ায়।

তাঁর ৪৫ রান আর রভম্যান পাওয়েলের ৪০ রানে ভর করে অনায়াসে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় কলকাতার তরী। শেষমেষ জয় পায় চার উইকেটের ব্যবধানে। তাতেই ১৩ পয়েন্ট নিয়ে প্লে-অফের সমীকরণটা আরও একবার জমিয়ে দিল তারা। বলে গেল, এখনও সব শেষ হয়ে যায়নি।

Share via
Copy link