আনচেলত্তির ঘোষণা, ফিরছেন নেইমার

নেইমারের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনে এখন নতুন উদ্দীপনা পেয়েছে ব্রাজিল। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে তাঁর উপস্থিতি দলের আক্রমণভাগে বাড়তি ধার যোগ করবে বলেই আশা করছেন সমর্থকরা।

হাইতির বিপক্ষে ৩-০ গোলের দারুণ জয়ের পর ব্রাজিল শিবিরে এসেছে আরও বড় সুখবর। চোট কাটিয়ে অবশেষে মাঠে ফিরতে যাচ্ছেন দলের প্রধান তারকা নেইমার। ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানিয়েছেন, গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে নেইমারকে পাওয়া যাবে।

চোটের কারণে গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচে খেলতে পারেননি ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। তাঁকে ছাড়াই মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে ব্রাজিল, এরপর হাইতিকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়ায় সেলেসাওরা।

হাইতি ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে আনচেলত্তি বলেন, ‘নেইমার আগামীকাল একা অনুশীলন করবে। এরপর সোমবার দলের সঙ্গে অনুশীলনে যোগ দেবে। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য তাকে পাওয়া যাবে।’

গত ১৭ মে সর্বশেষ ইনজুরিতে আক্রান্ত হন নেইমার। তাঁর ক্লাব সান্তোস জানিয়েছিল, পেশিতে সামান্য ফুলে উঠেছে। এরপরও তাঁকে বিশ্বকাপ দলে রাখা হয়। জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার পর ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন জানায়, নেইমারের পেশির চোট ছিল গ্রেড-২ পর্যায়ের এবং তিন সপ্তাহের মধ্যে তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন। নির্ধারিত সেই পুনর্বাসন সময়ও শেষ হয়েছে।

চোটের কারণে ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে খুব বেশি ম্যাচ খেলতে না পারলেও মাঠে নামলেই প্রভাব দেখিয়েছেন নেইমার। মাত্র চার ম্যাচে দুটি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে আরও তিনটি গোল করিয়েছেন তিনি।

এদিকে দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে ব্রাজিল। সমান চার পয়েন্ট হলেও গোল ব্যবধানে দ্বিতীয় স্থানে মরক্কো। অন্যদিকে মরক্কোর কাছে ১-০ গোলে হেরে তিন পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে স্কটল্যান্ড।

গ্রুপসেরা হিসেবেই পরের পর্বে যেতে চায় ব্রাজিল। সে লক্ষ্য সামনে রেখে আনচেলত্তি বলেন, ‘গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবে পরের পর্বে ওঠা গুরুত্বপূর্ণ। স্কটল্যান্ডের নিজস্ব কিছু শক্তি আছে, যা আমাদের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে। মরক্কোর বিপক্ষেও তারা ভালো লড়াই করেছে। তাই আমাদের মনোযোগ ধরে রাখতে হবে এবং আরও উন্নতির চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।’

নেইমারের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনে এখন নতুন উদ্দীপনা পেয়েছে ব্রাজিল। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে তাঁর উপস্থিতি দলের আক্রমণভাগে বাড়তি ধার যোগ করবে বলেই আশা করছেন সমর্থকরা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link