জাপানের বিপক্ষে এশিয়ান গেমসের কোয়ার্টার ফাইনালে আবারও নিজের জাত চেনালেন শ্রী চরণী।
৪ ওভারে মাত্র ১০ রান দিয়ে নিলেন ৪ উইকেট, তার মধ্যে ২টি মেইডেন ওভার। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা জাপান শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায়, আর সেই চাপ তৈরিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা এই বাঁহাতি স্পিনারের। ষষ্ঠ ওভারে হারুনা ইওয়াসাকিকে ফিরিয়ে শুরু, পরের বলেই মাই ইয়ানাগিদাকে আউট করে হ্যাটট্রিকের সামনে দাঁড়িয়ে যান তিনি। হ্যাটট্রিক না এলেও ওভারটা হয়ে যায় ডাবল উইকেট মেইডেন। পরে ১৮তম ওভারে আরও দুই উইকেট নিয়ে সম্পূর্ণ করেন নিজের চার শিকার, জাপান গুটিয়ে যায় মাত্র ৫৭ রানে।
এই বছরটা যেন চরণীর জন্য একটাই গল্প বলছে, বড় মঞ্চ পেলেই তিনি জ্বলে ওঠেন। কিছুদিন আগে এশিয়া কাপের ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নিয়েছিলেন ৪ উইকেট, ভারতকে শিরোপা জেতাতে যা রেখেছিল সবচেয়ে বড় ভূমিকা।

তার আগের ম্যাচে, বাংলাদেশের বিপক্ষে সেমিফাইনালে তুলে নেন নিজের ৫০তম টি-টোয়েন্টি উইকেট, মাত্র ২৯ ম্যাচে। এত কম ম্যাচে ৫০ উইকেটের মাইলফলক ছোঁয়া আর কোনো ভারতীয় বোলারের নেই, এতদিন এই রেকর্ড ছিল কুলদীপ যাদবের দখলে। ২০২৫ সালে একাই নিয়েছিলেন ৩৫ উইকেট, ভারতীয় কোনো বোলারের এক ক্যালেন্ডার বছরে যা যৌথ সর্বোচ্চ। এই মুহূর্তে টি-টোয়েন্টি বোলিং র্যাঙ্কিংয়েও শীর্ষে তিনিই।
দুবাই থেকে জাপান, মাঠ বদলেছে, প্রতিপক্ষ বদলেছে, কিন্তু চরণীর ফর্মে কোনো ভাটা নেই। ২০২৩ সালের হাংচো এশিয়ান গেমসে সোনাজয়ী ভারত নিজেদের শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে আরও একধাপ এগিয়ে গেল। এই ম্যাচ জিতলে সেমিফাইনালে হারমানপ্রীত কৌরের দল মুখোমুখি হবে বাংলাদেশের ।












