১৭৭ রানের পাহাড় সামনে দাঁড় করিয়ে দেয় পাকিস্তান। জিততে হলে অবিশ্বাস্য কিছুই করতে হবে। কে ধরিবে হাল? এগিয়ে এলেন চামারি। শ্রীলঙ্কার সামনে সমীকরণটা ছিল পরিষ্কার, জিততে হলে শুরু থেকেই আগ্রাসী হতে হবে। আর সেই কঠিন কাজটার দায়িত্ব নিজের কাঁধেই তুলে নিলেন অধিনায়ক।
এটা যেমন রান তাড়ার গল্প, তেমনই ফিরে আসারও। তাই তো শুরু থেকেই পাকিস্তানি বোলারদের ওপর চড়াও হলেন তিনি। বল দেখলেন, গ্যাপ খুঁজলেন, আর সুযোগ পেলেই বিশাল সব ছক্কা হাঁকালেন। দলের প্রয়োজনটা বুঝে ঠিক সেই ক্রিকেটটাই খেললেন, যেটা একজন অধিনায়কের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণকে একের পর এক আঘাত করে শ্রীলঙ্কার রান তাড়াকে সহজ করে তুললেন তিনি। স্কোরবোর্ডে ১৭৭ রানের লক্ষ্যটা যে আর পাহাড় মনে হচ্ছে না, সেটার সবচেয়ে বড় কারণ তখন ক্রিজে দাঁড়িয়ে থাকা সেই বাঁহাতি ব্যাটার।
৫০ বলে ৮৩ রানের ইনিংসটিতে ছিল সাতটি চার ও ছয়টি ছক্কা। অর্থাৎ ৮৩ রানের ৬৪ রানই এসেছে বাউন্ডারি থেকে। এই সংখ্যাটাই বলে দেয়, ইনিংসটায় কতটা আগ্রাসন ছিল। শুরু থেকে শেষপর্যন্ত দাঁড়িয়ে থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেছেন। পিউর মাস্টারক্লাস ইনিংস। তবে শুধু ব্যাট নয়, বল হাতেও অবদান রাখেন তিনি। এক উইকেট যায় নামের পাশে। অর্থাৎ দিনটা চামারি একেবারেই নিজের করে নিলেন।
চামারি ব্যক্তিগত লড়াই জিতলেন। দলকে ফাইনালে তুললেন। এশিয়া কাপের মতো এশিয়ান গেমসেও পাকিস্তানকে বিদায় করে দিলেন। তিনি যখন ছন্দে থাকেন, সেদিন কী হতে পারে, তা হাড়ে হাড়ে টের পেল পাকিস্তান। এবার ফাইনালে আরেকবার জ্বলে উঠতে পারলেই শাপমোচন হবে চামারি আতাপাত্তুর।

Share via:










