জাপানের বিপক্ষে যেখানে শেষ করেছিলেন, বাংলাদেশের বিপক্ষে ঠিক সেখান থেকেই শুরু করলেন শেফালি ভার্মা। শুক্রবার কোয়ার্টার ফাইনালে জাপানের ৫৭ রান তাড়া করতে নেমে ১৫ বলে অপরাজিত ৪০ করেছিলেন, বল হাতে নিয়েছিলেন দুই উইকেট। আজ সেমিফাইনালে একই মাঠ, একই আগ্রাসন, বদলেছে শুধু প্রতিপক্ষ। এবার আর ফিফটি করে থামলেন না, ৪৯ বলে অপরাজিত ১০০, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি।
শুরুটা ছিল ধীরে সুস্থে, মারুফা আক্তারের প্রথম ওভারে ২ বলে ১ রান, এরপর শুধুই ঝড়।দ্বিতীয় ওভারে সানজিদা আক্তার মেঘলার প্রথম বলেই চার, পঞ্চম বলে ছয়। চতুর্থ ওভারে নতুন বোলার সুলতানা খাতুনকে প্রথম বলেই ছক্কা, ছয় ওভার শেষে ১৭ বলে ৩৪। দশম ওভারে নাহিদা আক্তারকে ক্রিজ ছেড়ে এগিয়ে সোজা গ্যালারিতে পাঠিয়ে ২৪ বলে ফিফটি।,সাথে প্রথম দশ ওভারেই পাঁচ ছক্কা।
মাঝের ওভারগুলোতে ছক্কা আর এলোনা, ১৪ ওভার শেষে ৩৪ বলে ৬২। মনে হচ্ছিল ঝড় বুঝি একটু শান্ত হয়েছে কিন্তু ১৫তম ওভারেই সেই ধারণা ভাঙল আবার রুদ্রমুর্তি ধারণ করলেন শেফালি।

মারুফার ১৫ তম ওভারে ওভারে উঠল ২২ রান। ১৭তম ওভারে নাহিদাকে পরপর দুই ছক্কা, ৪৪ বলে ৯৫। সেঞ্চুরি তখন হাতের নাগালে।
ইনিংস এর শেষ ওভারে ৯৮ রানে শেফালি । স্ট্রাইক ঘুরতে ঘুরতে পৌঁছাল ইনিংসের শেষ বলে। এক্সট্রা কভারে ঠেলে এক রান, ৪৯ বলে ১০০। ইনিংসের শেষ বলেই সেঞ্চুরি।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির ১১৭তম ইনিংসে এসে প্রথম সেঞ্চুরি। ২০২৪ সালে নেপালের বিপক্ষে ৮১ রানে আউট হয়ে এই মাইলফলক হাতছাড়া করেছিলেন। আজ ছিল নয়টি ছক্কা আর তিনটি চার।
এশিয়া কাপ থেকে এশিয়ান গেমস, ধারাটা একই। বাংলাদেশের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ৬৪, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফাইনালে ৬৮, জাপানের বিপক্ষে অপরাজিত ৪০, আজ অপরাজিত ১০০। শেষ চার ইনিংসে ২৭২ রান, ১৪৩ বলে। দল যেই আসুক, শেফালি ব্যাট হাতে কাউকে ছাড়ছেন না।

শেফালির সেঞ্চুরিতে ভারত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে তুলল ১৯৫। বাংলাদেশের লক্ষ্য ১৯৬।











