শেফালির প্রথম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরিতে ভারতের বিশাল সংগ্রহ!

শেফালির সেঞ্চুরিতে ভারত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে তুলল ১৯৫। বাংলাদেশের লক্ষ্য ১৯৬।

জাপানের বিপক্ষে যেখানে শেষ করেছিলেন, বাংলাদেশের বিপক্ষে ঠিক সেখান থেকেই শুরু করলেন শেফালি ভার্মা। শুক্রবার কোয়ার্টার ফাইনালে জাপানের ৫৭ রান তাড়া করতে নেমে ১৫ বলে অপরাজিত ৪০ করেছিলেন, বল হাতে নিয়েছিলেন দুই উইকেট। আজ সেমিফাইনালে একই মাঠ, একই আগ্রাসন, বদলেছে শুধু প্রতিপক্ষ। এবার আর ফিফটি করে থামলেন না, ৪৯ বলে অপরাজিত ১০০, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি।

শুরুটা ছিল ধীরে সুস্থে, মারুফা আক্তারের প্রথম ওভারে ২ বলে ১ রান, এরপর শুধুই ঝড়।দ্বিতীয় ওভারে সানজিদা আক্তার মেঘলার প্রথম বলেই চার, পঞ্চম বলে ছয়। চতুর্থ ওভারে নতুন বোলার সুলতানা খাতুনকে প্রথম বলেই ছক্কা, ছয় ওভার শেষে ১৭ বলে ৩৪। দশম ওভারে নাহিদা আক্তারকে ক্রিজ ছেড়ে এগিয়ে সোজা গ্যালারিতে পাঠিয়ে ২৪ বলে ফিফটি।,সাথে  প্রথম দশ ওভারেই পাঁচ ছক্কা।

মাঝের ওভারগুলোতে ছক্কা আর এলোনা, ১৪ ওভার শেষে ৩৪ বলে ৬২। মনে হচ্ছিল ঝড় বুঝি একটু শান্ত হয়েছে কিন্তু  ১৫তম ওভারেই সেই ধারণা ভাঙল আবার রুদ্রমুর্তি ধারণ করলেন শেফালি।

মারুফার ১৫ তম ওভারে  ওভারে উঠল ২২ রান। ১৭তম ওভারে নাহিদাকে পরপর দুই ছক্কা, ৪৪ বলে ৯৫। সেঞ্চুরি তখন হাতের নাগালে।

ইনিংস এর শেষ ওভারে ৯৮ রানে শেফালি । স্ট্রাইক ঘুরতে ঘুরতে পৌঁছাল ইনিংসের শেষ বলে। এক্সট্রা কভারে ঠেলে এক রান, ৪৯ বলে ১০০। ইনিংসের শেষ বলেই সেঞ্চুরি।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির ১১৭তম ইনিংসে এসে প্রথম সেঞ্চুরি। ২০২৪ সালে নেপালের বিপক্ষে ৮১ রানে আউট হয়ে এই মাইলফলক হাতছাড়া করেছিলেন। আজ ছিল নয়টি ছক্কা আর তিনটি চার।

এশিয়া কাপ থেকে এশিয়ান গেমস, ধারাটা একই। বাংলাদেশের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ৬৪, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফাইনালে ৬৮, জাপানের বিপক্ষে  অপরাজিত ৪০, আজ  অপরাজিত ১০০। শেষ চার ইনিংসে ২৭২ রান, ১৪৩ বলে। দল যেই আসুক, শেফালি ব্যাট হাতে কাউকে ছাড়ছেন না।

শেফালির সেঞ্চুরিতে ভারত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে তুলল ১৯৫। বাংলাদেশের লক্ষ্য ১৯৬।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link