তৃষ্ণার হ্যাটট্রিক, বাংলাদেশের বিরাট জয়

বড় জয় নিয়ে সেমিফাইনালে খেলার আশা টিকিয়ে রাখল বাংলাদেশের মেয়েরা। নারী এশিয়া কাপে তাঁরা সিলেটে ৮৮ রানের বিরাট ব্যবধানে হারিয়েছে মালয়েশিয়া দলকে।

ম্যাচ জয়ের দিনে আলো কেড়েছেন বাংলাদেশের পেসার ফারিহা তৃষ্ণা। তিনি নিজের টি-টোয়েন্টি অভিষেকেই হ্যাটট্রিক করেছেন। পঞ্চম ওভারের দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বলে তিনি কুপোকাত করেন মালয়েশিয়ার টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারকে।

এর মধ্যে দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়া ম্যাস এলিসা এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন। বাকি দু’জনকে বোল্ড করেন তৃষ্ণা। তাঁরা হলেন অধিনায়ক উইনিফ্রেড দুরাইসিঙ্গাম ও চার নম্বর ব্যাটার মারিহাহ ইজ্জাতি ইসমাইল।

টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই সাজঘরে ফিরে যান শামিমা সুলতানা। ম্যাচে বাংলাদেশ ওইটুকু সময়ই কেবল ব্যাকফুটে ছিল। পরিস্থিতি সামাল দিয়ে আরেক ওপেনার মুর্শিদা খাতুন ও অধিনায়ক নিগার সুলতানা।

নিগার ৩৪ বলে ৫৩ আর মুর্শিদা ৫৪ বলে ৫৬ রান করেন। তৃতীয় উইকেটে এই দু’জন মিলে যোগ করেন ৮৭ রান। বাংলাদেশ লড়াই করার দারুণ একটা পুঁজি পায়।

নির্ধারিত ২০ ওভারে পাঁচ উইকেট হারিয়ে তাঁরা করে ১২৯ রান। আর এর জবাবে দাঁড়াতেই পারেনি মালয়েশিয়ার নারীরা। অলআউট হয়েছে মাত্র ৪১ রানে। হ্যাটট্রিক করা ফারিহা তৃষ্ণাই সবচেয়ে সফল বোলার। ১২ রান দিয়ে চার ওভারে তিনি নেন তিনটি উইকেট।

অন্যদিকে, দু’টি করে উইকেট নেন ফাহিমা খাতুন, সানজিদা আক্তার ও রুমানা আহমেদ। শনিবার বাংলাদেশের জন্য কঠিন এক পরীক্ষা অপেক্ষা করছে। সেদিন দুপুরে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী ভারত।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link