ফিফা বিশ্বকাপের নির্বাচিত সেরা একাদশ

কারা ছিলেন বিশ্বকাপের সেরা তারা? এই প্রশ্নের জবাব দিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের সেরা একাদশ নির্বাচন করেছে খেলা ৭১। এখানে জায়গা করে নিয়েছেন বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে আলোচিত তারকারা, সঙ্গে পুরো টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রভাব ছড়িয়ে দেওয়া কয়েকজন নায়ক।

কারা ছিলেন বিশ্বকাপের সেরা তারা? এই প্রশ্নের জবাব দিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের সেরা একাদশ নির্বাচন করেছে খেলা ৭১। এখানে জায়গা করে নিয়েছেন বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে আলোচিত তারকারা, সঙ্গে পুরো টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রভাব ছড়িয়ে দেওয়া কয়েকজন নায়ক।

গোলবারের নিচে আস্থা রাখা হয়েছে স্পেনের উনাই সিমনের ওপর। পুরো বিশ্বকাপজুড়ে তাঁর নির্ভরযোগ্য গোলকিপিং স্পেনকে বারবার বিপদ থেকে উদ্ধার করেছে। গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ঠাণ্ডা মাথায় দায়িত্ব পালন করে তিনি হয়ে উঠেছিলেন দলের শেষ ভরসা।

রক্ষণভাগে সবচেয়ে বেশি আধিপত্য স্পেনের। ডান প্রান্তে আছেন পেদ্রো পোরো, বাঁ দিকে মার্ক কুকুরেয়া। মাঝখানে জায়গা পেয়েছেন স্পেনের তরুণ ডিফেন্ডার পাও কুবারসি এবং আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। পুরো টুর্নামেন্টে এই চারজনের পারফরম্যান্স ছিল ধারাবাহিক। রক্ষণ সামলানোর পাশাপাশি আক্রমণ গড়তেও রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

মাঝমাঠে যেন তারকাদের মেলা। স্পেনের রড্রি, ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহ্যাম এবং আর্জেন্টিনার এনজো ফার্নান্দেজ—এই তিনজন মিলে তৈরি করেছেন এমন একটি মিডফিল্ড, যা একই সাথে শক্তিশালী ও সৃজনশীল। তারা মাঝমাঠে কনট্রোল রেখে খেলতে জানেন। গড়ে দিতে জানেন আক্রমণে ভিত্তি।

আক্রমণভাগে জায়গা পেয়েছেন তিন মহাতারকা। আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি, ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং নরওয়ের আর্লিং হাল্যান্ড। তিনজনই নিজেদের মতো করে প্রতিপক্ষের রক্ষণে আতঙ্ক ছড়িয়েছেন। গোল করেছেন, সুযোগ তৈরি করেছেন, ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিয়েছেন। তাই বিশ্বকাপের সেরা একাদশে তাঁদের উপস্থিতি খুব একটা বিস্ময়ের নয়।

পুরো দলটি সাজানো হয়েছে ৪-৩-৩ ছকে। এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট, চ্যাম্পিয়ন দল স্পেনের খেলোয়াড়দেরই আধিপত্য বেশি। সেরা একাদশে স্পেনের চার ফুটবলারের উপস্থিতিই বলে দেয়, কেন শেষ পর্যন্ত ট্রফিটা উঠেছে তাদের হাতেই।

অন্যদিকে আর্জেন্টিনা থেকেও আছেন তিনজন—লিওনেল মেসি, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ এবং এনজো ফার্নান্দেজ। ফাইনালে হারলেও পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে তাঁদের অবদান ছিল অসাধারণ। আর ইংল্যান্ড, ফ্রান্স ও নরওয়ে থেকে একজন করে জায়গা পেয়েছেন এই মর্যাদাপূর্ণ একাদশে।

বিশ্বকাপ শেষ হলেও এই একাদশ নিয়ে বিতর্ক থামবে না। তবে একটি বিষয়ে দ্বিমত হওয়ার সুযোগ খুব কম—২০২৬ বিশ্বকাপের সবচেয়ে উজ্জ্বল তারকারাই জায়গা করে নিয়েছেন এই স্বপ্নের একাদশে।

লেখক পরিচিতি

সম্পাদক

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link