প্যারিসের স্টেড দে ফ্রান্সে রাতের আলো যখন বিশ্বমানের তারকাদের লড়াইয়ের অপেক্ষা করছিল, তখন ইতালির সমতার এক পয়েন্ট নিশ্চিত করার একক দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন আজুরিদের অধিনায়ক ও গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা। জিদানের ফ্রান্স দল যখন আক্রমণাত্মক ফুটবলে ইতালিকে কোণঠাসা করে ফেলছিল, ঠিক তখনই ইতালির পোস্টের নিচে দুর্ভেদ্য দেয়াল হয়ে দাঁড়ান তিনি।
পুরো ম্যাচে ফ্রান্সের একের পর এক আক্রমণ সামলাতে দোন্নারুম্মাকে সাতটি অসাধারণ সেভ করতে হয়েছে। এর মধ্যে ডি-বক্সের ভেতর থেকেই তিনটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ নস্যাৎ করেন তিনি।

ম্যাচের ৫৫তম মিনিটে মাইকেল ওলিসের নেওয়া দুর্দান্ত ফ্রি-কিক শটটি থামানো কোনো মানবিক গোলরক্ষকের পক্ষেই সম্ভব ছিল না। টপ রাইট কর্নারে জালে জড়ানো সেই শটটিতে পরাস্ত হলেও, দোন্নারুম্মা মানসিক দৃঢ়তা হারাননি।
বরং এর পর বাকিটা সময় ফ্রেঞ্চ ফরোয়ার্ডদের সামনে অপরাজিত থেকে যান তিনি। ডি-বক্সে এরিয়াল ক্রস হাই-ক্লেইম করে নিজের দখলে নেওয়া এবং সতীর্থদের সুশৃঙ্খল রাখা – সব বিভাগেই তিনি ছিলেন দুর্দান্ত। তাঁর এই অবিচল পারফরম্যান্সই ইতালিকে ম্যাচে বাঁচিয়ে রাখে। পরবর্তীতে ৬৮তম মিনিটে বাস্তনির গোলে সমতায় ফেরে দল।

১-১ গোলে শেষ হওয়া এই ম্যাচে পরিসংখ্যান স্পষ্টভাবে প্রমান করে যে, ফ্রেঞ্চ আক্রমণের ঝড়ে দোন্নারুম্মার এই অবিসংবাদিত পারফরম্যান্স না থাকলে প্যারিস থেকে এক পয়েন্ট নিয়ে ফেরা আজুরিদের জন্য প্রায় অসম্ভব হতো।











