বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন এবং ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়! হ্যারি কেনের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ এখন দোরগোড়ায়। বায়ার্ন মিউনিখের জার্সিতে গোলমেশিন হয়ে ওঠা কেন কি পারবেন ইংল্যান্ডের ৬০ বছরের শিরোপা খরা কাটিয়ে অমরত্ব পেতে?
৩২ বছর বয়সে এসে যেন তিনি ক্যারিয়ারের সেরা ফর্মে। গত মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে গোল করেছেন ৬০টিরও বেশি। বুন্দেসলিগা হোক বা চ্যাম্পিয়নস লিগ, প্রতিপক্ষের জাল কাঁপানো যেন ছিল তাঁর নিত্যদিনের অভ্যাস।
এমন অসামান্য পারফরম্যান্সের পর মাইকেল ওয়েনের দীর্ঘ ২৫ বছর পর কোনো ইংরেজ ফুটবলার হিসেবে ব্যালন ডি’অর জয়ের জোরালো দাবিদার তিনি। এর সঙ্গে যদি বিশ্বজয়ের মুকুটটা যোগ করা যায়, তবে গোল্ডেন বলের লড়াইয়ে তাকে পেছনে ফেলা একপ্রকার অসম্ভব হবে।

কেনকে কেন্দ্র করেই বিশ্বকাপ মিশনে নামবে ইংল্যান্ড। যদিও জুড বেলিংহাম বা বুকায়ো সাকার মতো তারকারা আছেন, কিন্তু মূল গোলদাতার দায়িত্বটা কেনের কাঁধেই। ২০২২ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের বিপক্ষে সেই পেনাল্টি মিসের স্মৃতি এখনো অনেকের মনে থাকলেও, কেন সেই ব্যর্থতাকে পেছনে ফেলে এগিয়েছেন।
তিনি এখন অনেক বেশি পরিপক্ব ও মানসিকভাবে শক্তিশালী। বিশ্বকাপের মঞ্চে মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোল এবং গ্যারি লিনেকারের দশ গোলের জাতীয় রেকর্ড ভাঙার সম্ভাবনা নিয়েই বিশ্বমাঞ্চে নামবেন তিনি।
তবে এই যাত্রায় বড় বাধা হতে পারে টানা ৫১টি ম্যাচ খেলার ক্লান্তি। ৩২ বছর বয়সী কেনের জন্য বিশ্বকাপের কঠিন আবহ সামাল দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ। ইউরো ২০২৪-এও তাঁর পারফরম্যান্সে কিছুটা জড়তা লক্ষ্য করা গিয়েছিল। দীর্ঘ মৌসুমের ধকল সামলে তিনি কি আবার তাঁর চিরচেনা ক্ষিপ্রতা ফিরে পাবেন? এই প্রশ্নের উত্তরই নির্ধারণ করে দেবে ইংল্যান্ডের ভাগ্য।












