মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত তো আর ইয়ান বোথাম নয়। হলে হয়তো নিশ্চয়ই কেউ জিজ্ঞেস করে ফেলতো, ‘তোমার এই প্রত্যাবর্তনের চিত্রনাট্য কার লেখা?’
চার বছর আগে সর্বশেষ ওয়ানডে খেলেন। সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচও সাড়ে তিন বছর আগে। মোসাদ্দেক হোসেন জাতীয় দলের আলোচনা থেকে প্রায় হারিয়েই গিয়েছিলেন।
তবে, জাতীয় দলের মিডল অর্ডার যখন ধুকছে তখনই ডাক পড়ল তাঁর। ঘরোয়া ক্রিকেটে রানের বন্যা যার ব্যাটে, সেই ব্যাটার আন্তর্জাতিক ময়দানে এতদিন বাদে ফিরে কি টিকতে পারবেন? মোসাদ্দেক নিশ্চয়ই এই প্রশ্নটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নিয়েছিলেন।

সেই চ্যালেঞ্জের প্রথম অধ্যায়ে জিতে গেলেন তিনি। ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংসটা তিনি খেললেন নিজের প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে। মাঠে নামার পর একবারও ব্যাট হাতে তিনি বুঝতে দেননি, লম্বা সময় তিনি দলের বাইরে ছিলেন।
৭০ বলে করেন ৮৬ রান। পরিপূর্ণ এক আধুনিক ওয়ানডে ইনিংস। স্ট্রাইক রেট ১২২.৮৫। তিনটি ছক্বা আর সাতটি চারে সাজানো ঝকঝকে এক ইনিংস। বাংলাদেশের ইনিংস ২৮৪ রানে গিয়ে ঠেকে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এটাই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান।
যোগ্য সঙ্গ পেলে হয়তো সেঞ্চুরিওটাও করে ফেলতে পারতেন মোসাদ্দেক। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন। সেটা না হলেও, নি:সন্দেহে এটাই বাংলাদেশের ইতিহাসের সেরা ক্যাম ব্যাক নক।











