অজি একাদশের সামনে ‘ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি’ অবস্থা!

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সফর শুরুর আগেই যেন বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপকে নিয়ে গিয়ে দাঁড় করানো হলো আয়নার সামনে, আর সেই আয়নায় ফুটে উঠলো এক ভয়াবহ চেহারা। অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে এক ইনিংস ও ৩৮ রানের ব্যবধানে হেরে বাংলাদেশ যেন পেয়ে গেলো এক রূঢ় বাস্তবতার পাঠ, টেস্ট সিরিজ শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে।

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সফর শুরুর আগেই যেন বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপকে নিয়ে গিয়ে দাঁড় করানো হলো আয়নার সামনে, আর সেই আয়নায় ফুটে উঠলো এক ভয়াবহ চেহারা। অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে এক ইনিংস ও ৩৮ রানের ব্যবধানে হেরে বাংলাদেশ যেন পেয়ে গেলো এক রূঢ় বাস্তবতার পাঠ, টেস্ট সিরিজ শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে।

প্রথম ইনিংসে ২৬৩ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পথে দলের ভার একা কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ, অপরাজিত ১০৯ রানের এক লড়াকু ইনিংসে। কিন্তু তার আশেপাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ ছিলো না বললেই চলে, নাজমুল হোসেন শান্তর ৩৭ কিংবা সাদমান ইসলামের ৩২ ছাড়া বাকিরা এসেছেন আর গেছেন নিঃশব্দে। জবাবে অস্ট্রেলিয়া একাদশ তুলেছে ৩৫৫ রান, যেখানে ট্যাগ উইলি খেলেছেন ১৩০ রানের এক রাজকীয় ইনিংস, সঙ্গী হয়েছেন জেক ডোরানের ৭৬।

কিন্তু আসল ধ্বংসযজ্ঞ অপেক্ষা করছিলো দ্বিতীয় ইনিংসে। মাত্র ৫৪ রানেই গুটিয়ে গেলো পুরো দল, যেন তাসের ঘর ভেঙে পড়লো নিমিষেই। তানজিদ হাসান তামিমের ২২ রান বাদে কেউই পৌঁছাতে পারেননি দুই অঙ্কের ঘরে। আর এই ধ্বংসযজ্ঞের নায়ক এক ক্যাম্পবেল থমসন, যিনি একাই তুলে নিয়েছেন আট উইকেট। সবচেয়ে বিদ্রূপের বিষয় হলো, এই বোলার অস্ট্রেলিয়ার মূল স্কোয়াডেই নেই।

শুরুতেই এমন হোঁচট বাংলাদেশের জন্য যেন এক নির্মম বাস্তবতা যাচাইয়ের মুহূর্ত, যা স্পষ্ট করে দিলো ব্যাটিং লাইনআপের ভঙ্গুরতা কতটা গভীর। মূল টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে বাংলাদেশ শিবিরের অবস্থা তাই এখন অনেকটা ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি।

এই এক প্রস্তুতি ম্যাচের ধাক্কা কি বাংলাদেশকে জাগিয়ে তুলবে, নাকি অস্ট্রেলিয়ার মূল আক্রমণের সামনে অপেক্ষা করছে আরও ভয়ংকর কোনো পরীক্ষা?

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link