আফগানিস্তানের কাছে নাজেহাল জাপান!

টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় জাপান। দুদিন আগেই ভারতকে নাকানিচুবানি খাওয়ানো দলটা যে বেশ আত্মবিশ্বাসী, তা মাঠের খেলাতেই বুঝিয়ে দেয়। ১৪ রানের মাথায় প্রথম সাফল্য ধরা দেয় জাপানের ডেরায়। এরপর সুনিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে আফগানিস্তানের রানের চাকায় ব্রেকপ্যাড লাগিয়ে দেন বোলাররা।

সম্ভাবনা জাগিয়েও ইতিহাস গড়া হলো না জাপানের। আফগানিস্তানের ব্যাটিং অর্ডারকে আটকে রাখলেও সম্ভব হয়নি বোলিং আক্রমণকে রুখে দেওয়ার। এক আরব গুলই ধস নামিয়ে দেন জাপানের ব্যাটিং অর্ডারে। ফলাফলস্বরূপ ৪৮ রানের পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হলো সূর্যোদয়ের দেশকে।

টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় জাপান। দুদিন আগেই ভারতকে নাকানিচুবানি খাওয়ানো দলটা যে বেশ আত্মবিশ্বাসী, তা মাঠের খেলাতেই বুঝিয়ে দেয়। ১৪ রানের মাথায় প্রথম সাফল্য ধরা দেয় জাপানের ডেরায়। এরপর সুনিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে আফগানিস্তানের রানের চাকায় ব্রেকপ্যাড লাগিয়ে দেন বোলাররা।

সময় গড়ালেও হাত খুলতে পারেনি আফগান ব্যাটিং লাইনআপ। মোহাম্মদ আকরাম ২৯ বলে ৩৪ রানের ইনিংস খেলে সেই চেষ্টা করেছিলেন। পরবর্তীতে অধিনায়ক দারউইস রাসুলিও ২৯ রানের কার্যকরী এক ইনিংস উপহার দেন। শেষদিকে মোহাম্মদ ইসহাকের ২৫ রানে ভর করে কোনোমতে ১২৯ রান স্কোরবোর্ডে তোলে আফগানরা।

আফগানিস্তানের ব্যাটাররা যেখানে ব্যর্থ, জাপানের বোলাররাও ঠিক ততটাই দুর্দান্ত। দলের হয়ে জোড়া উইকেট শিকার করেন ইব্রাহিম তাকাহাসি এবং সোমা সুগায়া।

রান হাতের নাগালে। একটু বিচক্ষণ হয়ে খেললেই ম্যাচটাকে নিজেদের পকেটে নিয়ে আসা যায়। তবে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেতে হয় জাপানকে। সেই ধাক্কা সামাল দিয়ে ৩১ রানের জুটিও গড়ে ওঠে। পাওয়ার প্লে থেকে জাপান তোলে দুই উইকেট হারিয়ে ৩১ রান।

৫৩ পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। একটা সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছিল জাপানের জন্য। হবে নাকি একটা ইতিহাস? তবে সেটা হতে দিলেন না আফগানিস্তানের বোলাররা। ৫৩ থেকে ৬৩, এই ১০ রানের মধ্যেই ছয় উইকেট হারায় জাপান।

এরপর আর কিছুই বাকি থাকে না। ৮১ রানেই গুটিয়ে যায় জাপান। পরাজয়ের ব্যবধানটা দাঁড়ায় ৪৮ রান। আফগানিস্তানের হয়ে বল হাতে একাই চার উইকেট শিকার করেন অভিষিক্ত আরব গুল। তাতেই জয় দিয়ে এশিয়ান গেমস শুরু করল আফগানিস্তান।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link