বিশ্বকাপে মাঠে লড়েছেন ফুটবলাররা, আর সেই সুফল ঘরে তুলছে তাদের ক্লাবগুলো। এবারের ফিফা ক্লাব বেনিফিটস প্রোগ্রামে সবচেয়ে বেশি অর্থ পাচ্ছে ম্যানচেস্টার সিটি। খেলোয়াড়দের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য ইংলিশ ক্লাবটির ঝুলিতে যাচ্ছে প্রায় ৪৪ লাখ ডলার, যা এই তালিকায় সর্বোচ্চ।
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বার্সেলোনা, তাদের প্রাপ্তি প্রায় ৩৯ লাখ ডলার। তৃতীয় স্থানে বায়ার্ন মিউনিখ, যারা পাচ্ছে ৩৪ লাখ ডলার। এরপর রয়েছে আর্সেনাল, তাদের প্রাপ্তি ৩৩ লাখ ডলার।
যৌথভাবে পঞ্চম স্থানে আছে পিএসজি ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, দুই ক্লাবই পাচ্ছে ৩২ লাখ ডলার করে। ক্রিস্টাল প্যালেসের ভাগে পড়েছে ২৭ লাখ ডলার, আর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও রিয়াল মাদ্রিদ পাচ্ছে সমান ২৬ লাখ ডলার করে। শীর্ষ দশের তালিকা শেষ করেছে এসি মিলান, তাদের প্রাপ্তি ২৪ লাখ ডলার।

এই অর্থ নির্ধারণ করা হয়েছে দুটি বিষয় বিবেচনায় রেখে—বিশ্বকাপে খেলোয়াড়রা নিজ নিজ জাতীয় দলের সঙ্গে কতদিন ছিলেন এবং দল টুর্নামেন্টে কতদূর পর্যন্ত এগিয়েছে। সেই হিসাবেই ক্লাবগুলোর প্রাপ্য নির্ধারণ করেছে ফিফা।
এবারের বিশ্বকাপে ক্লাবগুলোর জন্য ফিফা বরাদ্দ রেখেছে মোট ৩৫ কোটি ৫০ লাখ ডলারের তহবিল, যা আগের আসরের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি। এর একটি অংশ দেওয়া হয়েছে বাছাইপর্বে খেলোয়াড় ছাড়ার জন্য, আর বাকি অর্থ বণ্টন করা হয়েছে মূল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের ভিত্তিতে।
মজার বিষয় হলো, আগের বিশ্বকাপেও এই তালিকার শীর্ষে ছিল ম্যানচেস্টার সিটি। অর্থাৎ টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপেও ক্লাব বেনিফিটস প্রোগ্রাম থেকে সবচেয়ে বেশি অর্থ পাওয়ার কীর্তি ধরে রাখল ইংলিশ ক্লাবটি। বিশ্বকাপের মঞ্চে লড়াইটা হয় দেশগুলোর, কিন্তু আর্থিক লাভের বড় অংশটা শেষ পর্যন্ত চলে যায় ক্লাবগুলোর ঘরেই।












